বাকৃবিতে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা বিভক্ত

  বাকৃবি প্রতিনিধি ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ২০১৯ সালের শিক্ষক সমিতির নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণ করা হবে। এ বছর নির্বাচনে ‘গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের’ পাশাপাশি ‘নীল দল’ নামে আলাদা আরও একটি প্যানেল করে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের একাংশ। গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম ও নীল দল উভয়েই নিজেদের মূল আওয়ামী লীগ পন্থী বলে দাবি করে আসছে। সর্বশেষ ২০০৬ সালে আলাদা প্যানেল করে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল নীল দল। দীর্ঘদিন পর নীল দল কেন আবার আলাদাভাবে প্রকাশ্যে এলো বা কারা প্রকৃত আওয়ামী লীগ এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মাঝে।

দীর্ঘদীন পর নীল দলের আবার প্রকাশ্যে আসা প্রসঙ্গে দলটির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের কিছু সিনিয়র নেতাদের স্বেচ্ছাচারিতা, স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ সর্বোপরি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ, চেতনা ও দর্শন বারবার উপেক্ষিত হওয়া এবং গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের যে কোনো সভা বা কার্যক্রমে ‘জয় বাংলা’ ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ বলার উপরে অলিখিত বিধিনিষেধ থাকার পরিপ্রেক্ষিতে ২০০০ সালে নীল দল প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার শুরুতে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয় কমিটিতে প্রফেসর ড. মো. শহীদুল হক আহ্বায়ক এবং প্রফেসর ড. মো. আহসান বিন হাবিব সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে বছরের শেষের দিকে ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। নীল দল ২০০৬ সাল পর্যন্ত নিয়মিত কমিটি গঠন এবং শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আসছিল। কিন্তু জাতীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এবং জাতীয় পর্যায়ের সিনিয়র কৃষিবিদ নেতাদের উদ্যোগে ও অনুরোধে নীল দলের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করে গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের সঙ্গে যৌথভাবে সব কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের বর্তমান নেতাদের স্বেচ্ছাচারিতা, আঞ্চলিক কোটারিকরণ, স্বৈরাচারী আচরণ, বিভিন্ন সময় সাধারণ সদস্যদের অবজ্ঞা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অহেতুক হয়রানি এবং নিজস্ব পছন্দের সদস্যদের মধ্য থেকে পর্যায়ক্রমিক কমিটি গঠনের প্রতিবাদে আমরা বাধ্য হয়ে নীল দলের কার্যক্রম পুনরায় সচল করি। নিজেদের সত্যিকারের আওয়ামী লীগ দাবি করে নীল দলের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামে আওয়ামীপন্থী, জাসদ, বাসদ, জাতীয় পার্টি ও বিভিন্ন সময়ে বিএনপিপন্থী শিক্ষকরা রূপ বদল করে আশ্রয় লাভ করেছে।

এদিকে গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান বলেন, ঠিক কি কারণে নীল দলের আবির্ভাব হয়েছে আমার জানা নাই। তবে গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আওয়ামীপন্থী এবং স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী শিক্ষকদের সংগঠন।

--
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×