চট্টগ্রামে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা

চিঠি চালাচালিতে দুই বছর

  চট্টগ্রাম ব্যুরো ২৫ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

চিঠি চালাচালিতেই আটকে আছে চট্টগ্রামের বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার কাজ। চট্টগ্রামে কোনো বিশেষায়িত হাসপাতাল না থাকায় দুই বছর আগে একটি শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে ২০০ শয্যার এ হাসপাতালটি গড়ে তুলতে মিলছে না প্রয়োজনীয় জমি। এ নিয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি চালাচালিতেই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার কাজ সীমাবদ্ধ রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালটি নির্মাণ নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের জুলাই মাসে হাসপাতালটি স্থাপনে নগরীর ২ একর খাসজমি চিহ্নিত করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করে সিভিল সার্জন কার্যালয়। তবে ২ একর ভূমির পুরোটাই সরকারি খাসজমি হওয়ায় পুনরায় জমি চিহ্নিত করে পাঠানোর নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। চিঠিতে চিহ্নিত খাসজমির পাশাপাশি আংশিক হলেও ব্যক্তি মালিকানাধীন মিলিয়ে ন্যূনতম ২ একর জমি চিহ্নিত করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে বলা হয়। সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে পাঠানো ২ একর খাসজমি অধিগ্রহণ বাবদ ৪৫ কোটি ২০ লাখ ৯৬ হাজার টাকা সম্ভাব্য ব্যয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। এর আগে ২০১৭ সালের ১৪ মে গুরুত্ব বিবেচনা করে চট্টগ্রামে শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় প্রশাসনিক অনুমোদন দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নির্মাণে ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দও দেয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুবিভাগ থেকে দুই বছর আগে নীতিগত অনুমোদন মিললেও ভূমি জটিলতায় এখন তা দীর্ঘসূত্রিতার কবলে পড়েছে। অর্থ বরাদ্দ ও প্রশাসনিক অনুমোদনের পর জমি অধিগ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়ের নির্মাণ অধিশাখা থেকে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনকে চিঠি দেয়া হয়। এরপর বিগত দুই বছরেও শিশু হাসপাতাল স্থাপনে জমি নির্ধারণ করতে পারেনি জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জন কার্যালয়। জানা যায়, ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের জুন মাস পর্যন্ত (সাড়ে পাঁচ বছর) সময়কাল ধরা হয়েছে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য। এর দায়িত্বে রয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। এ নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাসপাতালটি স্থাপনে এখনও জমি নির্ধারণ করা হয়নি। ইতিমধ্যে নির্ধারিত সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে দুই বছরের বেশি সময় পার হয়ে গেছে। জমি নির্ধারণ হলেও নির্মাণকাজ শুরু থেকে শেষপর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পটি শেষ করা যাবে কিনা, এ নিয়ে বেশ সন্দেহ রয়েছে। চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী যুগান্তরকে বলেন, ‘ইতিমধ্যে নগরীতে ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গাসহ হাসপাতালের জন্য ২ একর জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে কোন জায়গায় এটি নির্ধারণ করা হয়েছে তা বলা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×