মহাদেবপুরে উৎকোচের বিনিময়ে নিয়োগ চেষ্টার অভিযোগ

  নওগাঁ প্রতিনিধি ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মহাদেবপুর উপজেলার ফতেপুর রাহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসায় উৎকোচের বিনিময়ে ‘নিুমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর’ পদে নিয়োগের অপচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে শনিবার মাদ্রাসার সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে সচেতন এলাকাবাসী। এছাড়া নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধে বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করা হয়েছে।

জানা গেছে, ফতেপুর রাহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার নিুমান সহকারী কাম কম্পিউটার গত ছয় মাস আগে মারা গেছেন। শূন্যপদে নিয়োগের জন্য গত বছরের ২০ নভেম্বর একটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। এর বিপরীতে ১২ জনসহ গ্রামের চার শিক্ষিত বেকার যুবক আবেদন করেন। কিন্তু মাদ্রাসা সুপার নজরুল ইসলাম গ্রামের শিক্ষিত বেকার যুবকদের নিয়োগ না দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অন্য এলাকা থেকে নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করছেন। নিয়োগের অপচেষ্টার সঙ্গে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হাসানুজ্জামান চঞ্চল ও দেওয়ান তরিকুল ইসলাম সম্পৃক্ত আছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। আবেদনকারী জাফর আলী, নাহিদ রানা ও জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করে বলেন, আমাদের গ্রামেই মাদ্রাসা। অথচ এলাকার শিক্ষিত বেকারদের নিয়োগ না দিয়ে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে কানজকুড়ি গ্রামের আসাদ নামে এক যুবককে প্রায় ১৪ লাখ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেয়ার পাঁয়তারা চলছে। মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি সামছুদ্দিন, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সারেফুন, গ্রামের সচেতন এলাকাবাসী আকবর আলী, শরিফুল ইসলাম, মিজানুর রহমানসহ কয়েকজন বলেন, গ্রামের শিক্ষিত যুবকরা আছে। অথচ তাদের নিয়োগ না দিয়ে সুপারসহ কয়েকজন মোটা অঙ্কের টাকার বিনিমিয়ে নিয়োগ দেয়ার অপচেষ্টা করছেন। মাদ্রাসার সুপার নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শূন্যপদে বিভিন্ন এলাকার ১২ জন আবেদন করেছে। স্বচ্ছতার ভিত্তিতে মেধাবীকে নিয়োগ দেয়া হবে। এলাকার কিছু ব্যক্তি তাদের স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে আমার বিরুদ্ধে গুজব রটাচ্ছেন।

মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু বলেন, যে ১২ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন তাদের বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। নিয়োগের যে নীতিমালা আছে নিয়োগ বোর্ড গঠন করে সেই মোতাবেক স্বচ্ছতার ভিত্তিতে মেধাবীকে নিয়োগ দেয়া হবে। নওগাঁ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন বলেন, অভিযোগটি তদন্তের জন্য মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর, রাজশাহী থেকে চিঠি দেয়া হয়েছে। বিষয়টি শিগগিরই তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

E-mail: [email protected], [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter