১৩ মাসে ২৭ বার অস্ত্র উদ্ধার

পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি

  সমির মল্লিক, খাগড়াছড়ি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করেও থামানো যাচ্ছে না অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি। অভিযোগ রয়েছে, শান্তি চুক্তিকালীন শতভাগ অস্ত্র সরকারের কাছে জমা না পড়া এবং পার্বত্য অঞ্চল ঘেঁষা অরক্ষিত সীমান্তই অবৈধ অস্ত্রের প্রধান উৎস। পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর মধ্যকার আধিপত্য বিস্তারে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। ফলে আঞ্চলিক সংগঠনগুলোতে মধ্যকার সংঘাতে প্রতিদিন বাড়ছে প্রাণঘাতী সংঘাতের আশঙ্কা। এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে নবসৃষ্ট ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) নামে সংগঠনটি। দলটির গঠনকালীন খাগড়াছড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছে, ‘প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফের কাছে গচ্ছিত রয়েছে প্রায় এক হাজার অবৈধ অস্ত্র। তবে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এ বক্তব্যকে মিথ্যাচার ও পাগলের প্রলাপ বলছে প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ নেতা মাইকেল চাকমা।

পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সংগঠন জেএসএস সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে সম্পাদিত শান্তিচুক্তির প্রায় দুই দশক পেরিয়ে গেলেও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ হয়নি। ২০১৭ সালে ১২ মাসে খাগড়াছড়িতেই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে প্রায় ২৪টি আর চলতি বছরের জানুয়ারিতেই তিনবার অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে।

নিরাপত্তার বাহিনী, বিজিবি কিংবা পুলিশের নেতৃত্বে বিভিন্ন সময় অস্ত্র উদ্ধারে ছোট-বড় অভিযান পরিচালনা করা হয়। উদ্ধার হওয়ার পর মামলা হলেও আসামিরা জামিনে আবার বেরিয়ে আসছে। তবে আটককৃতদের অধিকাংশই পাহাড়ের আঞ্চলিক দলগুলোর সদস্য। আবার অনেকে দল না করলেও দুর্গম পাহাড়ে চাঁদাবাজির জন্য এসব অবৈধ অস্ত্রই হচ্ছে প্রধান হাতিয়ার। ২০১৭ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে প্রায় ১৯টি। তবে অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে জেলহাজতের বাইরে রয়েছে। খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার আলী আহমদ খান বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের ভারত এবং মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী হওয়ায় এসব অরক্ষিত পথে পাহাড়ে অস্ত্র ডুকছে। ভারতের মিজোরাম এবং ত্রিপুরা রাজ্যের অধিকাংশ সীমান্ত অরক্ষিত। তাছাড়া পার্বত্য অঞ্চলের সশস্ত্র সংগঠনগুলোর আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করছে। তবে পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনী অস্ত্র উদ্ধারে ধারাবাহিক নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

E-mail: [email protected], [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter