কুমিল্লার ঈদবাজার

বিপণিবিতানে ক্রেতাদের ভিড়

  তবারক উল্লাহ কায়েস, কুমিল্লা ব্যুরো ১৯ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জমে উঠেছে কুমিল্লার ঈদবাজার। নগরীর প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড় এলাকার ফুটপাতে হাঁটতে গিয়ে ভিড়ের কারণে প্রত্যকেই হাঁপিয়ে উঠেছেন। সবাই ছুটছেন পছন্দের পোশাকের সন্ধানে। বিপণিবিতানগুলোতে রয়েছে ক্রেতাদের ভিড়।

শনিবার ১২ রমজান নগরীর বিভিন্ন মার্কেট এলাকায় এ চিত্র দেখা যায়। দোকানি ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রমজান শুরুর পর আজ দ্বিতীয় শুক্রবার শেষে আস্তে আস্তে ভিড় বাড়ছে। প্রতি রমজানে সাধারণত এ সময় থেকেই ঈদের কেনাকাটা পুরোদমে শুরু হয়। এখন থেকে দিন যত যাবে, ভিড় তত বাড়তে থাকবে। এখন যতটুকু দামদর করে কাপড় কেনার সুযোগ থাকছে, পরে সে সুযোগও থাকবে না। ঈদের বাকি প্রায় ১৯ দিনের মতো। ঈদের আগ মুহূর্তে কেনাকাটা করতে গেলে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয় বলে অনেকে এখনই কেনাকাটা সেরে ফেলেছেন। নগরীর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী আরিফুর রহমান পরিবার নিয়ে আসেন ঈদবাজারে। তিনি বলেন, ‘অফিস করে সময় পাই না তাই আজই সব কেনাকাটা শেষ করব। ঈদে গ্রামের বাড়িতে যাব। ঈদ যত নিকটে আসবে ভিড় তত বাড়বে। তাই বাবা-মা, ভাই-বোনসহ পরিবারের সবার জন্যই কেনাকাটা আজই শেষ করতে হবে।’ নগরীর বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, মেয়েদের পোশাকের দোকানে তুলনামূলক ভিড় বেশি। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেই বলে দিচ্ছেন, ব্যস্ততার কারণে কথা বলার মতো সময় নেই। তবে ক্রেতাদের উপস্থিতি থাকলেও দোকানিদের দাবি বেচাকেনা তুলনামূলকভাবে কম। নগরীর বিভিন্ন মার্কেটের ব্র্যান্ডের দোকানগুলোতে দিন দিন ক্রেতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিপণিবিতানের সেলস ম্যানেজার জাহিদ হোসেন বলেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার বেচাকেনা খারাপ। মার্কেটে মানুষ আসছে, কিন্তু বেচাকেনা কম। কিনতে আসছেন একজন, কিন্তু সঙ্গে চার-পাঁচজন করে আসছেন এ কারণে মার্কেটগুলোতে ভিড় চোখে পড়ছে।’ এদিকে নগরীর এক দরের মার্কেট ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজায় ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম দেখা গেছে। এ মার্কেটের দোকান মালিক হুমায়ন জানান, শুধু ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজা নয়, আশপাশের মার্কেটেগুলোতে এবার বেচাকেনা কম। উপজেলা সদরগুলোতে বড় বড় মার্কেট হওয়ায় মানুষ শহরে আসছে কম। এ ছাড়া মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করছে। যার প্রভাব পড়েছে মার্কেটগুলোতে। নগরীর নজরুল এভিনিউ এলাকায় মার্কেটগুলোতে ছোটদের পোশাক বিক্রি হয়। দোকানের মালিক নুরুল ইসলাম বলেন, ‘বেচাকেনা এখনও মনমতো করতে পারিনি। গত বছর রোজার শুরুতে প্রতিদিন ২০-৩০ হাজার টাকা বিক্রি করেছি। এ বছর পাঁচ-সাত হাজার টাকার বেশি বিক্রি করতে পারিনি। জানি না কেন এমন হচ্ছে। গরমের কারণেও হতে পারে।’ অপর দিকে, কান্দিরপাড় ও নিউমার্কেট এলাকার ফুটপাতে চলছে হরদম বেচাকেনা। ফুটপাত বিক্রেতারা জানান, বৃহস্পতি ও শুক্রবার থেকে মূলত ঈদের বেচাকেনা শুরু হয়েছে। বেচাকেনা মোটামুটি ভালো।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×