মির্জাপুরে সরকারিভাবে চাল সংগ্রহে অনিয়ম

কেজিপ্রতি পাঁচ টাকা হারে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ

  মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ২৩ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে চাল সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়ভাবে চাতাল কলের মালিকদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ থাকলেও সংশ্লিষ্টরা উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চাল সংগ্রহ করছেন। চাতালকল মালিকরা জানান গুদামে চাল দেয়ার জন্য কর্মকর্তাদের কেজিপ্রতি পাঁচ টাকা হারে ঘুষ দিতে হয়।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে জানা যায়, এ বছর মির্জাপুর উপজেলায় সরকারিভাবে ১ হাজার ৪৮২ টন চাল সংগ্রহ করার কথা। ৬ মে উপজেলার সাতজন চাতালকল

মালিক জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। চুক্তিমতে বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৬৩১ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের কথা রয়েছে। এজন্য সরকার মির্জাপুর থেকে কেজি প্রতি ৩৬ টাকা চালের দাম বেঁধে দিয়েছেন। ১৩ মে থেকে মির্জাপুরে চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়। নিয়মানুযায়ী চাতাল কল মালিকরা স্থানীয়ভাবে নতুন চাল সংগ্রহ করে তা সরকারকে দেবেন।

কিন্তু খাদ্য গুদামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাদের পছন্দের ব্যবসায়ীদের দিয়ে জামালপুর, শেরপুর, রংপুর ও বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চল থেকে ট্রাকযোগে রাতের আঁধারে চাল গুদামে ঢুকাচ্ছেন। আর কাগজে কলমে চুক্তিবদ্ধ মিলারদের নামে চাল সরবরাহ হচ্ছে বলে উল্লেখ করছেন।

এ ব্যাপারে খাদ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ তোফায়েল আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, মিলারদের সঙ্গে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। চাল কোনো জায়গায় থেকে আসে তার তদারকি করেন সাবইন্সপেক্টর কায়েস। তিনি মিলে গিয়ে চাল দেখে রিপোর্ট দিলে গোডাউনে চাল নেয়া হয়। চাল গুদামে মজুদ করার কাজ হারুন অর রশিদ নামে একজন লেবার হ্যান্ডেলিং করেন।

চাতালকল মালিকদের দেয়া তথ্য মতে, গতকাল পর্যন্ত গুদামে সংগৃহীত ৫৭৭.২০০ টন চাল কেজিপ্রতি ৫ টাকা হারে ২৮ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে সহকারি খাদ্য পরিদর্শক কায়েসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. কামাল হোসেন বলেন, সম্পূর্ণ চাল স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করতে হবে। চাল না পেলে আবেদন দিলে কেনার সময় বাড়ানো হবে। তাছাড়া চাল সংগ্রহে কোনো অনিয়ম হলে তার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×