মনিরামপুরে আরশাদের কোটি টাকার হুন্ডি ব্যবসা

  মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি ০২ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিপুল অঙ্কের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে মাসে প্রায় কোটি টাকার হুন্ডি কারবার চালিয়ে যাচ্ছে আরশাদ আলী। আরশাদ যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রূপসপুর গ্রামের আরিফ গাজীর ছেলে। তিনি প্রায় ৯ বছর ধরে প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে নির্বিগ্নে চালিয়ে যাচ্ছেন এ কারবার।

সম্প্রতি হুন্ডির ১০ লাখ টাকাসহ আরশাদ ও তার দুই ছেলে বউ পুলিশের হাতে ধরা পড়লেও রহস্যজনক কারণে ছাড়া পায় তারা। শুরুতে কারবার নিজ গ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন গ্রাম ছাপিয়ে তা পার্শ্ববর্তী কয়েকটি উপজেলায় এ অবৈধ ব্যবসার প্রসার ঘটেছে। সরেজমিন ওই গ্রামে গেলে আরশাদ সম্পর্কে এমন তথ্য বেরিয়ে আসে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গাজী সাত্তার জানান, উপজেলার এ অঞ্চলের বিশেষ করে রূপসপুর, তাজপুর, পাচপোতা, গোয়ালবাড়ি, মহাদেবপুর, ডুমুরখালি গ্রামের অধিকাংশ পুরুষ মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকে। আরশাদের দুই ছেলে ইকবাল হোসেন ও মহসীন কবীরও প্রায় ৯ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় রয়েছে।

কিন্তু হুন্ডির ব্যবসার বিষয়টি স্বীকার করতে নারাজ আরশাদ। তিনি বলেন সম্প্রতি গ্রামে মেম্বর নির্বাচনকে কেন্দ করে প্রতিপক্ষরা পুলিশকে ভুল তথ্য দেয়। এ কারণে তিনিসহ তার দুই ছেলে বউ ৭ লাখ টাকাসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, আরশাদ বাড়িতে বসেই এ অবৈধ কারবার চালিয়ে আসছেন। দূরের পার্টির টাকা একই গ্রামের মোটরসাইকেলচালক হোসেন আলী, আরশাদের জামাই মল্লিকপুর গ্রামের বাবলুর রহমান সরবরাহ করে থাকেন। রূপসপুর গ্রামের প্রবাসী টিক্কার স্ত্রী রোজিনা জানান, স্বামীর পাঠানো মাসে ৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা আরশাদের কাছ থেকেই নিয়ে থাকেন। ২৪ মে হুন্ডির ১০ লাখ টাকাসহ ঝাঁপা পুলিশি কেন্দ্রের আইসি এসআই সাখাওয়াত হোসেন আরশাদ ও দুই ছেলে বউকে আটক করে। পরে রহস্যজনক কারণে ছাড়া পায় তারা। মনিরামপুর থানার ওসি মোকাররম হোসেন জানান, তার দুই ছেলে বিদেশ থাকায় ওই পরিমাণ টাকা থাকতেই পারে। যে কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×