তালতলীতে ঈদের আনন্দ নেই জেলে পরিবারে

  তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি ০৩ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

উপকূলের জেলেপল্লীতে নেই ঈদের আনন্দ। সীমাহীন দুর্দশার মধ্যে, অনিশ্চয়তার অন্ধকারে তাদের দিনরাত এখন একাকার। ৬৫ দিন মাছ ধরায় অবরোধ জেলেপল্লীতে ঈদের আনন্দ এখন বিলাসিতার নামমাত্র। ঈদের আনন্দ সবার হৃদয়ে কড়া নাড়লেও বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে ওঠা উপজেলার ফকিরহাট, নিদ্রা, নলবুনিয়া ও তেঁতুলবাড়িয়ার মানুষের অনুভূতি এখন ভিন্ন। উপকূলের এই জনপদে এখন শোনা যাচ্ছে শুধুই হাহাকার। সারা দেশে ঈদের বাজারে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। ঈদ মানেই নতুন জামা-জুতা। কিন্তু বরগুনার তালতলী উপজেলার বেশিরভাগ জেলে তাদের সন্তানদের নতুন জামাকাপড় দিতে পারবেন না। যেখানে রমজানে সেহরি ও ইফতারের আয়োজনই অনিশ্চিত সেখানে ঈদ উৎসব তো বিলাসিতারই নামমাত্র। এবার তাই ঈদের আনন্দটা ফিকে তালতলীর জেলে পরিবারগুলোতে। আবার অনেকেই পরিবারের ছোট ছোট শিশুর আবদার মেটাতে এনজিও থেকে ঋণ করে ঈদের জামাকাপড় কিনছে। দীর্ঘ দুই মাসেরও বেশি সাগরে অবরোধ থাকায় মৎস্যজীবীরা পেটের তাগিদে অন্য পেশার দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। কেউ দিনমজুর বা রিকশাচালক। তারা কোনো প্রকারের সরকারি সাহায্য পাচ্ছেন না। আবার বেকার জেলেরা কাজ না পেয়ে বাড়ি ফিরছেন প্রতিদিন শূন্য হাতে। মাছ ধরায় ব্যবহৃত নৌকা নদী থেকে ডাঙায় তুলে রেখেছেন তারা।

প্রান্তিক জেলেরা জানান, সাগরে ৬৫ দিন অবরোধ, মাছ ধরতে পারছি না। ঘরে ছেলেমেয়ের খাবার ও সংসারের খরচপাতি জোগাড় করা নিয়ে আছে মহাবিপদে। ৬৫ দিন কীভাবে সংসারের খরচ জোগান দেবেন তা ভাবছেন দিনরাত। ৬৫ দিনের অবরোধে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি সাহায্য পাননি। এ নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তার ভাঁজ কপালে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×