চট্টগ্রামে অভিযানের পরও বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

  চট্টগ্রাম ব্যুরো ০৪ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে অভিযান পরিচালনা করেও অতিরিক্ত বাসভাড়া আদায় থামানো যাচ্ছে না। অভিযানের পরও বাস মালিকরা ঘরমুখো মানুষের কাছ থেকে দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া আদায় করেছেন। অনেক বাস কাউন্টারে কৌশল হিসেবে টিকিট ছাড়াই যাত্রীদের বাসে বসিয়ে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। আবার টাকার অঙ্ক লেখা ছাড়া খালি টিকিট দিয়েই যাত্রীদের বুঝ দিচ্ছে কাউন্টারগুলো। কর্ণফুলী ব্রিজ থেকে লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ পর্যন্ত ভাড়া ১০০ টাকা। ঈদ উপলক্ষে নেয়া হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। আবার কর্ণফুলী ব্রিজ থেকে কক্সবাজারের ভাড়া ২৮০ টাকা। এখন নেয়া হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত। নতুন ব্রিজ থেকে পটিয়া উপজেলায় নামলেও নেয়া হচ্ছে সাতকানিয়ার কেরানীহাটের ভাড়া। এদিকে নগরীর বিভিন্ন বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করেছেন বিআরটিএ’র ম্যাজিস্ট্রেট এসএম মনজুরুল হক। শুক্রবার নগরীর একে খান এলাকায় বিআরটিএ’র ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান পরিচালনা করে নোয়াখালীগামী শাহী ও জোনাকি পরিবহনকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। নগরীর দামপাড়া, বিআরটিসি, একে খান, অলংকার, বড়পোল, সিনেমা প্যালেসসহ সবকটি বাস কাউন্টার ঘুরে দেখা গেছে, বাড়ি ফেরা মানুষের উপচেপড়া ভিড়। দূরপাল্লার বাসগুলোতে বেশির ভাগ অগ্রিম টিকিটের যাত্রী। তবে উপস্থিত কোনো যাত্রী টিকিট নিতে এলে তাদের গুনতে হয়েছে নিয়মিত ভাড়া থেকে দুই থেকে তিনশ’ টাকা বেশি। আবার যেসব কাউন্টার অগ্রিম টিকিট বিক্রি করেনি, তাদের উপস্থিত টিকিটের মূল্য নেয়া হচ্ছে নিয়মিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ। চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, উত্তরবঙ্গের প্রতিটি রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বাস মালিকরা। নোয়াখালীর নিয়মিত ভাড়া হচ্ছে ২৮০ টাকা। কিন্তু জোনাকি বাস আমাদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নিয়েছে। বাড়ি যাওয়াটাই হচ্ছে মূল উদ্দেশ্য। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই বেশি ভাড়া দিয়ে টিকিট কেটেছি। এছাড়া এখন আর কোনো উপায় নেই।

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে বিআরটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম মনজুরুল হক যুগান্তরকে বলেন, বিআরটিএ’র পক্ষ থেকে আমরা প্রতিদিনই অভিযান পরিচালনা করছি। আমরা থেমে নেই। পরিবহন সেক্টরে এত সমস্যা তা সবগুলো একসঙ্গে সমাধান করা সম্ভব না। ঈদে বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় দীর্ঘদিনের সমস্যা। এ বছর কিছুটা কমানো সম্ভব হয়েছে। আগামীতে আশা করি আরও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×