শাহজাদপুরে কৃষকের ঘরে নেই ঈদ আনন্দ

  শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি ০৪ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এ বছর শাহজাদপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে ২৩ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এতে ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার মেট্রিক টন। সরকার কৃষকের কাছ থেকে প্রতি মণ ধান ১ হাজার ৪০ টাকা দরে ৭৬৮ মেট্রিক টন ধান ক্রয় করেছে। বাকি ধান কৃষকেরা দালাল ফরিয়া ও হাটবাজারে সাড়ে ৪০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে এক মণ ধান বিক্রি করে জুটছে কৃষকের জামা-লুঙ্গি। তাই এ বছর শাহজাদপুরের কৃষকের ঘরে নেই ঈদ আনন্দ।

এ ব্যাপারে কৈজুরী ইউনিয়নের চরগুধিবাড়ি গ্রামের নওশাদ বেপারি, ছোরমান বেপারি, সোনাতনী গ্রামের জিয়াউল হক, হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নের ডায়া গ্রামের ময়েন উদ্দিন, মোয়াজ্জেম হোসেন, ইউনিয়নের চিথুলিয়া গ্রামের আসান আলী, আবদুল হামিদ বলেন, শতকরা ৯৯ জন কৃষক প্রতি মণ ধানে ৬৪০ টাকা থেকে ৫৪০ টাকা লোকসান দিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। ফলে শ্রমিকের মজুরি, সেচ পানির বিল, বিদ্যুৎ বিল, সার ও কীটনাশকের দোকানের পাওনা টাকা পরিশোধ করতে পারছে না। এছাড়া ঈদ খরচ জোগাতে না পেরে অনেক কৃষক বাড়িঘর-সন্তানাদি ফেলে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। অপরদিকে মিল মালিকেরা আমন মৌসুমের চাল এখন পর্যন্ত বিক্রি করতে না পারায় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি। তাই তারা অর্থের জোগান না থাকায় নতুন ধান কিনতে পারছেন না। এ ব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি সম্প্র্রসারণ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ধানের উৎপাদন গত বছরের চেয়ে এ বছর বেশি হওয়ায় ক্রেতার অভাবে কৃষকেরা ধান বিক্রয় করতে না পেড়ে বিপাকে পরেছেন। তবে এ সমস্যা বেশিদিন থাকবে না। ঈদের পর সরকার ধান রফতানির চিন্তাভাবনা করছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×