শেষ মুহূর্তে জমজমাট কেনাকাটা

  যুগান্তর ডেস্ক ০৪ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিভিন্ন স্থানে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিপণিবিতানগুলোতে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এবারের ঈদে মেয়েদের চাহিদা ভারতীয় ও পাকিস্তানি পোশাক। বিশেষ করে জুতা, স্যান্ডেল, কাপড়ের দোকান, কসমেটিকসের দোকানে ভিড় লেগেই আছে। যুগান্তর প্রতিনিধিরা জানান-

সিলেট ব্যুরো : সিলেটে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত নগরবাসী। প্রতিটি মার্কেট ক্রেতাদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে। সকাল থেকে ভোররাত পর্যন্ত কেনাকাটার ধূম পড়েছে মার্কেট ও বিপণিবিতানগুলোতে। গত ক’দিন ধরে নগরীর ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকায় জিন্দাবাজারে প্রায়ই তিল ধারণের ঠাঁই থাকে না। যে দিকেই চোখ যায় সেদিকেই ক্রেতাদের সমাগম। এছাড়া নয়াসড়ক ও কুমারপাড়ায় বেশকয়েকটি নামিদামি ব্র্যান্ডের দোকান থাকায় সেখানে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। মহানগরী ছাড়াও জেলার প্রতিটি উপজেলা সদরেও এখন ঈদ বাজার জমজমাট হয়ে উঠেছে। সিলেট নগরীর প্রতিটি মার্কেটেই এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত। ফুটপাতে রয়েছে হকারদের রকমারি দোকান। ফুটপাত থেকে অভিজাত মার্কেট লোক সমাগমে ভরপুর থাকে সব সময়। ঈদের বাজার করতে আসা ক্রেতাদের উপস্থিতিতে ফুটপাত আর মার্কেট এখন একাকার। ফুটপাতের কারবারিরা ফুটপাত ছেড়ে এখন রাস্তাও দখল করে নিয়েছে।

অভয়নগর (যশোর) : ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে অভয়নগর উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। সোমবার উপজেলার নওয়াপাড়া শহর ঘুরে দেখা যায়, বাজারের জুতা-স্যান্ডেলের দোকান, দর্জি দোকান, জুয়েলারি, কাপড়ের পট্টিতে সকাল থেকে ভিড় লেগেই আছে। ঈদের বাজার করতে মায়ের হাত ধরে আসা ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা মনের আনন্দে ঈদের কেনাকাটা করছে। বিশেষ করে জুতা-স্যান্ডেল, কাপড়ের দোকান, কসমেটিকসের দোকানে ভিড় লেগেই আছে। পুরুষ ক্রেতাদের ভিড় বেশি মুদি দোকানে।

টেকেরহাট (মাদারীপুর) : মাদারীপুরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। মাদারীপুর সদর, রাজৈর, টেকেরহাট ও পার্শ্ববর্তী মুকসুদপুরের শপিংমলগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। বিক্রেতাদের যেন কথা বলার ফুসরত নেই। বেচা-বিক্রি ভালো হওয়ায় বিক্রেতারাও খুশি। রকমারী পোশাকে ঠাঁসা বিপণিবিতানগুলো। দেশি পোশাকের পাশাপাশি বিদেশি বিশেষ করে ভারতীয় থ্রি-পিস, রেডিমেট সালোয়ার-কামিজ ও চোখ ধাঁধানো ছোটদের পোশাক শিশুদের মন কেড়েছে বেশি। তাই অভিভাবকদের পছন্দের পোশাক লুফে নিচ্ছেন তারা। ছোট্ট সোনামনিদের মুখে হাসি ফুটাতে তাদের সব আবদার রক্ষা করছেন অভিভাবকরা। ছেলেদের পছন্দের সব পাঞ্জাবি শোভা পাচ্ছে দোকানে-দোকানে। আধুনিক সমাজে ফ্যাশনের পরিবর্তনের সঙ্গে মিল রেখে প্রতিটি ফ্যাশন হাউসই কামিজের কাটিং প্যাটার্নে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বরগুনা : জমে উঠেছে সাগর উপকূলীয় বরগুনা শহরে ঈদের বাজারে কেনাকাটা। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে বিপণিবিতানগুলোতে ভিড় তত বেড়েছে। ছোট-বড় কিশোর কিশোরীদের কোলাহলে ভিড়ে মুখরিত হয়ে ওঠেছে তৈরি পোশাক, কাপড়ের দোকান, জুতার দোকান, গার্মেন্টস, কসমেটিকসসহ বিভিন্ন দোকানগুলোতে। বিপণিবিতানগুলো সাজানো হয়েছে বিভিন্ন রঙে। বিশেষ করে বরগুনার বঙ্গবন্ধু সড়ক, গোলাম সরোয়ার সড়ক, পৌর মার্কেট, মসজিদ মার্কেট। সবচেয়ে ক্রেতাদের মধ্যে নারীদের উপস্থিতি বেশি দেখা যাচ্ছে।

হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জে শেষ মুহূর্তে এসে জমে উঠছে ঈদের বাজার। মার্কেট আর বিপণিবিতানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় ক্রমেই বাড়ছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত থাকে বিপণিবিতানগুলো। এবারের ঈদে মেয়েদের চাহিদা ভারতীয় ও পাকিস্থানি পোশাকে। তবে দেশী পোশাকেরও চাহিদা কম নয়। ক্রেতারা বলছেন এবার ঈদের কালেশন ভালো। ঈদকে ঘিরে ইতিমধ্যেই পোশাক, জুতো ও প্রসাধনী কিনতে বিপণিবিতানগুলোতে ভিড় করছেন। বেছে নিচ্ছেন নিজেদের পছন্দের সামগ্রী। শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সীরাই ঈদের কেনাকাটা নিয়ে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন।

কাউখালী (পিরোজপুর) : ঈদের দুই একদিন বাকি থাকায় জমজমাট হয়ে উঠছে কাউখালীর ঈদ বাজার। শপিংমল ও দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষনীয়। উপজেলার প্রায় ছোট বড় অর্ধশত দোকান কিংবা শপিংমলে রাতদিন কেনাবেচা চলছে। শপিংমলগুলোতে বেশিরভাগ শিশুদের পণ্য সামগ্রী কেনাকাটায় ভিড় বেশি।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×