সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ

হরিণ শিকারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি

  শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ০৪ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জে বেশ কয়েকটি সংঘবদ্ধ হরিণ চোরা শিকারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে হরিণের গোশত সরবরাহ করতে রেঞ্জের গভীর বনে ফাঁদ পেতে এ ধরনের অপতৎপরতায় নেমেছে চক্রগুলো। গত এক মাসে রেঞ্জ এলাকা থেকে বন বিভাগ ৬ মণ হরিণের গোশত, ৬টি চামড়া, হরিণ ধরা ফাঁদ এবং বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার ও ২ জন শিকারিকে আটক করেছে। বন বিভাগের কতিপয় দুর্র্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও কর্মচারী এসব ঘটনার সঙ্গে অধিকাংশ ক্ষেত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে ঈদের সময় শিকারিদের আনাগোনা বন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সব ছুটি সীমিত করেছে বন বিভাগ। জানা যায়, গত শীত মৌসুমের প্রথম থেকে শরণখোলা রেঞ্জে সংঘবদ্ধ হরিণ চোরা শিকারিরা হরিণ শিকারে মেতে ওঠে। বন বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহায়তায় এবং মাছের বৈধ পারমিট (পাস) নিয়ে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে শিকারি চক্র। মাছের পাশের আড়ালে চক্রগুলো এসব কর্মকাণ্ড করে থাকে। অনুসন্ধানে জানা যায়, গভীর বনে ফাঁদ পেতে হরিণ ধরে শিকারিরা। পরে জবাই করে মাংস বরফজাত করে গোশত লোকালয়ে নিয়ে এসে কঠোর গোপনীয়তায় ৮শ’ থেকে এক হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করে। ঈদকে সামনে রেখে চোরা শিকারিরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। শিকারিরা বনের কটকা, চান্দেশ্বর, চরখালী, টিয়ারচর, কচিখালী, কটকা, সুপতি, কোকিলমনি, আন্ধারমানিক ও বগী স্টেশন আওতাধীন এলাকাসহ অন্যান্য দুর্গম বনাঞ্চলে ফাঁদ পেতে হরিণ শিকার করে থাকে বলে ওই সূত্র জানায়।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×