চুয়াডাঙ্গা বিএডিসি শ্রমিকদের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ : আহত ৮
jugantor
চুয়াডাঙ্গা বিএডিসি শ্রমিকদের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ : আহত ৮

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি  

১৬ জুন ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গা বিএডিসির গোডাউন এলাকায় দু’পক্ষ শ্রমিকের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আপন চার ভাইসহ ৮ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে ঢাকায় এবং অপরজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দু’জনকে পুলিশ আটক করে। ডাবলু ও ইয়াছিন আলী বলেন, আমরা বিএডিসিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতাম। শ্রমিক সর্দার আরিফ আমাদের ঠিকমতো মজুরি দিতেন না। এমনকি এবারের ঈদে আমাদের পাওনা ঈদ বোনাসের টাকা তারা সবাই ভাগ করে নিয়েছে। আমাদের দেননি। বেশির ভাগ শ্রমিক গ্রামাঞ্চলের হাওয়ায় তারা প্রতিবাদ করতে পারত না। আমরা প্রতিবাদ করার কারণে কাজ থেকে আমাদের ছাঁটাই করে দেন সর্দার আরিফ।

চুয়াডাঙ্গা বিএডিসির উপপরিচালক (অধিক বীজ) শামীম হায়দারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের এখানে যারা কাজ করে তারা সবাই অস্থায়ী শ্রমিক। সকালের ঘটনা আমি শুনেছি। ডাবলু, ইয়াসিন, রকিব ও আবদুল কাদের বিএডিসির কোনো শ্রমিক নন। তারা বহিরাগত। বিএডিসির চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক সর্দার আরিফ তার লোকজন নিয়ে কাজ করছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাদপড়া শ্রমিক ডাবলুর নেতৃত্বে ৪ জন আরিফদের ডেকে গেটে নিয়ে আসেন। এরপর তাদের কাছ থেকে মজুরি দাবি করেন ডাবলু। কাজ না করে মজুরির দাবি না মানায় তাদের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় ডাবলু গ্রুপ। এ সময় উভয়পক্ষের সংঘর্ষে চুয়াডাঙ্গা শহরতলির দৌলাতদিয়াড় সর্দারপাড়ার আবু হোসেনের চার ছেলে আরিফ, আনারুল, ফারুক ও তারিক এবং ফায়ার সার্ভিসপাড়ার খাদেমুলের ছেলে ডাবলু, আবুল কাশেমের ছেলে কবির, আবুল হাশেমের ছেলে কাদের ও এহসানুলের ছেলে ইয়াসিন আহত হন। তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল থেকে ডাবলুকে ঢাকায় ও তারিককে রাজশাহী স্থানান্তর করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ খান জানান, এ সংঘর্ষের ঘটনায় দু’পক্ষই অভিযোগ করেছে। আনারুল ও ইয়াসিন নামে দু’জনকে আটক করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা বিএডিসি শ্রমিকদের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ : আহত ৮

 চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি 
১৬ জুন ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গা বিএডিসির গোডাউন এলাকায় দু’পক্ষ শ্রমিকের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আপন চার ভাইসহ ৮ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে ঢাকায় এবং অপরজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দু’জনকে পুলিশ আটক করে। ডাবলু ও ইয়াছিন আলী বলেন, আমরা বিএডিসিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতাম। শ্রমিক সর্দার আরিফ আমাদের ঠিকমতো মজুরি দিতেন না। এমনকি এবারের ঈদে আমাদের পাওনা ঈদ বোনাসের টাকা তারা সবাই ভাগ করে নিয়েছে। আমাদের দেননি। বেশির ভাগ শ্রমিক গ্রামাঞ্চলের হাওয়ায় তারা প্রতিবাদ করতে পারত না। আমরা প্রতিবাদ করার কারণে কাজ থেকে আমাদের ছাঁটাই করে দেন সর্দার আরিফ।

চুয়াডাঙ্গা বিএডিসির উপপরিচালক (অধিক বীজ) শামীম হায়দারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের এখানে যারা কাজ করে তারা সবাই অস্থায়ী শ্রমিক। সকালের ঘটনা আমি শুনেছি। ডাবলু, ইয়াসিন, রকিব ও আবদুল কাদের বিএডিসির কোনো শ্রমিক নন। তারা বহিরাগত। বিএডিসির চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক সর্দার আরিফ তার লোকজন নিয়ে কাজ করছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাদপড়া শ্রমিক ডাবলুর নেতৃত্বে ৪ জন আরিফদের ডেকে গেটে নিয়ে আসেন। এরপর তাদের কাছ থেকে মজুরি দাবি করেন ডাবলু। কাজ না করে মজুরির দাবি না মানায় তাদের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় ডাবলু গ্রুপ। এ সময় উভয়পক্ষের সংঘর্ষে চুয়াডাঙ্গা শহরতলির দৌলাতদিয়াড় সর্দারপাড়ার আবু হোসেনের চার ছেলে আরিফ, আনারুল, ফারুক ও তারিক এবং ফায়ার সার্ভিসপাড়ার খাদেমুলের ছেলে ডাবলু, আবুল কাশেমের ছেলে কবির, আবুল হাশেমের ছেলে কাদের ও এহসানুলের ছেলে ইয়াসিন আহত হন। তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল থেকে ডাবলুকে ঢাকায় ও তারিককে রাজশাহী স্থানান্তর করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ খান জানান, এ সংঘর্ষের ঘটনায় দু’পক্ষই অভিযোগ করেছে। আনারুল ও ইয়াসিন নামে দু’জনকে আটক করা হয়েছে।