চুয়াডাঙ্গায় গরমে লাইনে দাঁড়িয়ে বেতন দিতে গিয়ে ছাত্রীরা অসুস্থ

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গায় দিনভর ছাত্রীদের রৌদে দাঁড় করিয়ে নেয়া হচ্ছে বেতন ও পরীক্ষার ফি। প্রচন্ড রোদে কয়েকজন মেয়ে অসুস্থও হয়ে পড়ে। কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের এভাবে দীর্ঘক্ষণ রোদে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখায় অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। সোমবার বেলা ১০টা থেকে রোদ দাঁড় করিয়ে বেতন-ফি নেয় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের চুয়াডাঙ্গা শাখা। চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় আড়াই হাজার ছাত্রী। এতদিন নির্ধারিত তারিখে নিজ নিজ ক্লাসে বসে তারা স্কুলের বেতন ও ফি পরিশোধ করত। বেতন ডেটে ক্লাস হয় না বলে স্কুল কর্তৃপক্ষ ব্যাংকের মাধ্যমে বেতন-ফি পরিশোধের ব্যবস্থা করেন। সোমবার বেলা ১০টায় বিদ্যালয়ে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের বুথ খুলে বেতন-ফি নেয়া শুরু করে। ছাত্রীরা প্রচন্ড রৌদে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তাদের বেতন-ফি দেয়। চুয়াডাঙ্গায় সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রা ও রোদে বেশ কয়েকজন ছাত্রী কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়ে। দেখা যায় কেউ কেউ বেতনকার্ড মাথায় দিয়ে রোদ নিবারণের চেষ্টা করছে। মেয়েরা অভিযোগ করেছে, তারা কেউ কেউ আধাঘণ্টা থেকে একঘণ্টা পর্যন্ত রোদে দাঁড়িয়ে আছে বেতন-ফি দেয়ার জন্য। অভিভাবকদের কেউ কেউ অভিযোগ করেন, এভাবে প্রচ­ রোদে মেয়েদের দাঁড় করিয়ে মাসিক বেতন আদায় খুবই অন্যায়। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড চুয়াডাঙ্গা শাখার ম্যানেজার (অপারেশন) সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, ১০টা থেকে শুরু হয়েছে, হয়তো বেলা ৪টার মধ্যেই শেষ করে ফেলতে পারব ছাত্রীদের বেতন আদায়। আজ একটু সমস্যা হয়েছে পরবর্তীতে হয়তো এমনটি হবে না। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্মৃতিকনা বিশ্বাসের কাছে জানার জন্য বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইলে কল করলেও তার মোবাইলফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।