দক্ষিণের ৫০ লাখ মানুষ খাবার পানি সংকটে

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ২৫ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাটের ৫০ লাখ মানুষ খাবার পানি সংকটে ভুগছে। এ এলাকার ৭৯ ভাগ নলকূপে কমবেশি আর্সেনিকের প্রভাব রয়েছে। অপরদিকে গভীর নলকূপেও রয়েছে লবণাক্ততা ও আর্সেনিক। সোমবার সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের কাছে গবেষণালব্ধ এমন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেছে বেসরকারি সংস্থা উত্তরণ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম। এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উত্তরণ পরিচালক শহিদুল ইসলাম, পানি কমিটির মইনুল ইসলাম ও অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহিসহ অন্যরা। তারা পানি অপচয় রোধের ব্যাপারেও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, সরকার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের মাধ্যমে গভীর নলকূপ খনন করে পানি সংকট নিরসনের চেষ্টা করলেও বাস্তবে তােেত চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। এজন্য এখনও গ্রামের নারীদের প্রতিদিন ভোরে ও বিকালে ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার হেঁটে ২-৩ কলসিতে করে পানি নিয়ে আসতে হয়। এছাড়া ১২০০ ফুট পর্যন্ত খননকৃত নলকূপের পানিও লবণাক্ত এবং তা আর্সেনিকযুক্ত উল্লেখ করে তারা বলেন, এই সংকট দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্যের জন্য এই পানি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ জানিয়ে তারা বলেন, এ এলাকায় যেসব পুকুর ছিল, তা একদিকে যেমন ভরাট হয়ে যাচ্ছে, তেমনি লোনা পানির চিংড়ি চাষপ্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মিষ্টি পানি মিলছে না। সংবাদ সম্মেলন থেকে চার দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এগুলো হচ্ছে- ভূগর্ভস্থ পানির অবস্থান নিয়ে হাইড্রলজিক্যাল অনুসন্ধান পরিচালনা; পুকুর-দীঘি খনন করে দূষণমুক্ত জলাধার সৃষ্টি করা; দরিদ্র, প্রতিবন্ধী, দলিত ও নারীদের জন্য সরকারের বিশেষ বরাদ্দ এবং সুপেয় পানির জন্য এ এলাকায় প্রযোজ্য নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×