বড়লেখায় নয় ঘণ্টার পরিবর্তে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন
jugantor
লাইন মেরামত
বড়লেখায় নয় ঘণ্টার পরিবর্তে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন

  বড়লেখা প্রতিনিধি  

২৫ জুন ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বড়লেখা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি মেনটেনেন্সের নামে শনি ও রোববার ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়ে টানা ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন রেখেছে বড়লেখা, জুড়ী ও কুলাউড়ার ৭০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহককে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় গ্রাহকদের মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। ২৩ জুন থেকে স্কুল ও মাদ্রাসার প্রথম সাময়িক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পড়েছে মহাবিপাকে। অত্যধিক গরমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা অজ্ঞান হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে ঘোষণার চেয়েও ৫-৬ ঘণ্টা বেশি সময় বিদ্যুৎ বন্ধ রাখায় ও আসার পর ঘন ঘন বিভ্রাটের কারণে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা রোববার রাত ৯টায় বড়লেখা পৌরশহরের পল্লীবিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারের কার্যালয় (জোনাল অফিস) প্রায় ৩ ঘণ্টা তালাবদ্ধ করে রাখে। পরে উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। জানা গেছে, বড়লেখা পৌরশহরের পাখিয়ালায় অবস্থিত পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারের কার্যালয় থেকে বড়লেখা, জুড়ী ও কুলাউড়া উপজেলার একাংশের প্রায় ৭০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। গত ১৬ জুন এ কার্যালয় থেকে ঘোষণা দেয়া হয় জরুরি লাইন স্থাপনের জন্য ২২, ২৩, ২৬, ২৭, ২৯ ও ৩০ জুন সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উন্নয়ন কাজের জন্য তিন উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। কিন্তু গত শনি ও রোববার সকাল সাড়ে ৬টায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে ৩টার পরিবর্তে সাড়ে ৪টায় এবং পরদিন সকাল ৬টায় বন্ধ করে রাত ৯টায় বিদ্যুৎ চালু করা হয়। পল্লীবিদ্যুতের ডিজিএম সুজিত কুমার বিশ্বাস জানান, পিডিবির লাইন উন্নয়ন কাজের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে। ঘোষিত সময়ের পরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার ব্যাপারে বলেন, লাইন চালুর পর লোড বেশি টানার কারণে জাম্পার পুড়ে যাওয়ায় এমনটি হচ্ছে।

লাইন মেরামত

বড়লেখায় নয় ঘণ্টার পরিবর্তে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন

 বড়লেখা প্রতিনিধি 
২৫ জুন ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বড়লেখা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি মেনটেনেন্সের নামে শনি ও রোববার ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়ে টানা ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন রেখেছে বড়লেখা, জুড়ী ও কুলাউড়ার ৭০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহককে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় গ্রাহকদের মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। ২৩ জুন থেকে স্কুল ও মাদ্রাসার প্রথম সাময়িক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পড়েছে মহাবিপাকে। অত্যধিক গরমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা অজ্ঞান হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে ঘোষণার চেয়েও ৫-৬ ঘণ্টা বেশি সময় বিদ্যুৎ বন্ধ রাখায় ও আসার পর ঘন ঘন বিভ্রাটের কারণে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা রোববার রাত ৯টায় বড়লেখা পৌরশহরের পল্লীবিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারের কার্যালয় (জোনাল অফিস) প্রায় ৩ ঘণ্টা তালাবদ্ধ করে রাখে। পরে উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। জানা গেছে, বড়লেখা পৌরশহরের পাখিয়ালায় অবস্থিত পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারের কার্যালয় থেকে বড়লেখা, জুড়ী ও কুলাউড়া উপজেলার একাংশের প্রায় ৭০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। গত ১৬ জুন এ কার্যালয় থেকে ঘোষণা দেয়া হয় জরুরি লাইন স্থাপনের জন্য ২২, ২৩, ২৬, ২৭, ২৯ ও ৩০ জুন সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উন্নয়ন কাজের জন্য তিন উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। কিন্তু গত শনি ও রোববার সকাল সাড়ে ৬টায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে ৩টার পরিবর্তে সাড়ে ৪টায় এবং পরদিন সকাল ৬টায় বন্ধ করে রাত ৯টায় বিদ্যুৎ চালু করা হয়। পল্লীবিদ্যুতের ডিজিএম সুজিত কুমার বিশ্বাস জানান, পিডিবির লাইন উন্নয়ন কাজের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে। ঘোষিত সময়ের পরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার ব্যাপারে বলেন, লাইন চালুর পর লোড বেশি টানার কারণে জাম্পার পুড়ে যাওয়ায় এমনটি হচ্ছে।