বীরগঞ্জে ২ স্কুলে জলাবদ্ধ ক্লাস রুমে পাঠদান

  দিনাজপুর ও বীরগঞ্জ প্রতিনিধি ৩০ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দিনাজপুরে বীরগঞ্জে বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায় দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সামান্য বৃষ্টিতেই উপজেলার ঝাড়বাড়ী উচ্চবিদ্যালয় ও ঝাড়বাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে দুর্ভোগে পড়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। এতে ব্যাহত হয় পাঠদান কার্যক্রম। কয়েক বছর ধরে এই অবস্থায় বর্ষাকালে পাঠদান দুষ্কর হয়ে পড়ে ওই দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। পানিতে ডুবে থাকায় কমে যায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার। শুক্রবার রাতে সামান্য বৃষ্টিতেই জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয় ঝাড়বাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় ও ঝাড়বাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। বিদ্যালয় মাঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে পানি প্রবেশ করে শ্রেণীকক্ষের মধ্যে। শ্রেণীকক্ষে পানির মধ্যেই করতে হয় ক্লাস। এতে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী এ দুর্ভোগে পড়েছেন। ঝাড়বাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী মারুফ হাসান মুন জানায়, বৃষ্টির কারণে বিদ্যালয়ে আসতে পারি না, পোশাক বইপত্র ভিজে যায়। মাঠে খেলাধুলা করতে পারি না, পাঠদান পানির মধ্যে করতে হয়। ঝাড়বাড়ী উচ্চবিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী ফারিহা তাসনীম শামসী জানায়, আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠে জলাবদ্ধতার কারণে মাঠে হাটা চলাফেরা করা যায় না। ময়লার দুর্গন্ধ আর পোকা মাকড়ের ভয়ে বিদ্যালয়ে পড়ালেখায় মন বসে না। ঝাড়বাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মতিউল ইসলাম বলেন, বর্ষা এলেই বিদ্যালয়ের শিশুরা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়। দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের দাবি জানিয়ে এলেও কর্তৃপক্ষের কেউ সুনজরে নিয়ে না আসায় বিদ্যালয়ের শিশুরা অসুস্থতাসহ বিভিন্ন সমস্যায় পড়ছে। ঝাড়বাড়ী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা জানান, বর্ষার সময় ছাড়াও সামান্য বৃষ্টিতে স্কুল ক্যাম্পাস পানিতে তলিয়ে যায়। পানি নিষ্কাশনের জন্য যদিও একটি ড্রেন করা হয়েছে কিন্তু তাতে কাজে আসেনি। মাঠে জলাবদ্ধতা থাকার কারণে বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার কার্যক্রম অনেক ব্যাহত হচ্ছে। বীরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাবেয়া খাতুন জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জলাবদ্ধতার বিষয়টি তিনি জানেন না। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আবেদন করলে তিনি সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেবেন।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×