ভোলা ছাত্রলীগের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি

সব নেতাই বিবাহিত

  ভোলা প্রতিনিধি ৩০ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

চার বছর আগে গঠিত ভোলা জেলা ছাত্রলীগের কমিটির সব সদস্যই বর্তমানে বিবাহিত ও ব্যক্তি কর্মজীবনে ব্যস্ত। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে জেলা ছাত্রলীগের কার্যক্রম। কেন্দ্রীয় কোনো কর্মর্সচি পালিত হচ্ছে না। তিন বছর এমন পরিস্থিতির মুখে অবশেষে কলেজ শাখার নেতাসহ জেলা কমিটির সাধারণ কর্মীরা সম্মেলনের দাবিতে মাঠে নামেন। প্রতিদিন মিছিল-মিটিং অব্যাহত রয়েছে। ৫ দিন আগে সংবাদ সম্মেলন করে তারা আন্দোলনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন। তাদের অভিযোগ গঠনতন্ত্রের ২৩-এর ‘ক’ ধারা অনুযায়ী বিবাহিত নেতারা ছাত্রলীগের সদস্যসহ শীর্ষ পদ থাকার বিধান নেই। অথচ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকসহ ওই কমিটির সব সদস্যই বর্তমানে বিবাহিত। ২০১৫ সালের ৯ মে এক বছরের জন্য ওই কমিটি ঘোষণার পর তিন বছরের মধ্যে শীর্ষ পদধারী সব নেতাই বিয়ে করেন। এদিকে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বাতিল করে সম্মেলনের মধ্য দিয়ে নতুন কমিটির দাবিতে এক মাস ধরে আন্দোলন করে যাচ্ছেন ছাত্রলীগের সাধারণ নেতাকর্মীরা। তারা কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে দাবি জানিয়ে ব্যর্থ হন বলেও জানান ওই সব নেতা। এসব অভিযোগ তোলেন ভোলা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ কমিটির সভাপতি খায়রুল ইসলাম তুহিন, কলেজ কমিটির সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া হোসেন অমি, হাসিব মাহামুদ, নেওয়াজ শরীফ কুতুবসহ সাধারণ ছাত্রনেতারা। তারা নতুন কমিটির পদপ্রত্যাশী। তাদের অভিযোগ, বর্তমান মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি ইব্রাহিম চৌধুরী পাপন দেড় বছর আগে বিয়ে করেন। সহসভাপতি ওমর ফারুক আড়াই বছর আগে বিয়ে করেন। অপর সহসভাপতি তৈয়বুর রহমান দুই বছর আগে, সহসভাপতি ইউছুফ হোসেন ইমন তিন বছর আগে বিয়ে করেন। সম্পাদক রিয়াজ মাহমুদ দুই বছর আগেই বিয়ে করেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন তিন বছর আগে, অপর যুগ্ম সম্পাদক এটিএম মরতুজা সজিব আড়াই বছর আগে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রুবেল ৪ বছর আগেই বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক। এমনকি স্ত্রীকে হত্যা করার দায়ে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন। এ কমিটির সহসভাপতি তৈয়বুর রহমান বুধবার যুগান্তরকে জানান, সম্মেলনের মাধ্যমে ২০১৫ সালে তাদের কমিটি গঠিত হয়। ওই সময় প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ জনের কমিটিকে কেন্দ্র থেকে অনুমোদন দেয়। এর পর আর কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়নি। তিন বছর আগেই তাদের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। কিন্তু কেন্দ্র থেকে কমিটি বাতিল না করায় তারা পদ-পদবিতে রয়ে গেছেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×