ঠাকুরগাঁওয়ে হায় হায় কোম্পানি: টার্কি মুরগি পালনের কথা বলে গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
jugantor
ঠাকুরগাঁওয়ে হায় হায় কোম্পানি: টার্কি মুরগি পালনের কথা বলে গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি  

০১ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টার্কি মুরগি পালন করে লাখপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের তিন শতাধিক খামারির কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে উধাও হয়েছে কুটমবাড়ি নামের হায়- হায় কোম্পানি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের তেলীপাড়া গ্রামে কুটমবাড়ি খামার ও হ্যাচারি নামের একটি কোম্পানি খুল বসে প্রতারকরা। এরপর লোক নিয়োগ দিয়ে গ্রামে গ্রামে গ্রুপ তৈরি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়েছে।

সদর উপজেলার দেবীপুর ইউপির বৈরাগীবাজার গ্রামের অলোকা রানী অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন প্যাকেজ অনুযায়ী ওই কোম্পানি তার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা নেয়। এর বিনিময়ে তিন মাসের জন্য টার্কি মুরগির বাচ্চা দেয়। বাচ্চা বড় করে কোম্পানিতে জমা দিলে তাকে একটি সাদা স্লিপ ধরিয়ে দেয়। কিন্তু টাকা দেয়ার সময় দিয়ে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ উধাও হয়।

একই অভিযোগ রুহিয়া মধুপুর গ্রামের ফাতেমা বেগমসহ অনেকের। প্রতিষ্ঠানটির একজনের বাড়ি খুলনা। অপর জনের বাড়ি ঠাকুরগাঁও শহরের তাঁতিপাড়া মহল্লায়। মঙ্গলবার শতাধিক ভুক্তভোগী নারী-পুরুষ মিছিল নিয়ে কোম্পানির এমডির বাড়িতে অবস্থান নেয়।

কিন্তু বাড়িতে কাউকে না পেয়ে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থান করে তারা। এ সময় ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম আইনত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে ক্ষতিগ্রস্তরা বাড়ি ফিরে যান।

ঠাকুরগাঁওয়ে হায় হায় কোম্পানি: টার্কি মুরগি পালনের কথা বলে গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
০১ আগস্ট ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টার্কি মুরগি পালন করে লাখপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের তিন শতাধিক খামারির কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে উধাও হয়েছে কুটমবাড়ি নামের হায়- হায় কোম্পানি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের তেলীপাড়া গ্রামে কুটমবাড়ি খামার ও হ্যাচারি নামের একটি কোম্পানি খুল বসে প্রতারকরা। এরপর লোক নিয়োগ দিয়ে গ্রামে গ্রামে গ্রুপ তৈরি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়েছে।

সদর উপজেলার দেবীপুর ইউপির বৈরাগীবাজার গ্রামের অলোকা রানী অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন প্যাকেজ অনুযায়ী ওই কোম্পানি তার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা নেয়। এর বিনিময়ে তিন মাসের জন্য টার্কি মুরগির বাচ্চা দেয়। বাচ্চা বড় করে কোম্পানিতে জমা দিলে তাকে একটি সাদা স্লিপ ধরিয়ে দেয়। কিন্তু টাকা দেয়ার সময় দিয়ে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ উধাও হয়।

একই অভিযোগ রুহিয়া মধুপুর গ্রামের ফাতেমা বেগমসহ অনেকের। প্রতিষ্ঠানটির একজনের বাড়ি খুলনা। অপর জনের বাড়ি ঠাকুরগাঁও শহরের তাঁতিপাড়া মহল্লায়। মঙ্গলবার শতাধিক ভুক্তভোগী নারী-পুরুষ মিছিল নিয়ে কোম্পানির এমডির বাড়িতে অবস্থান নেয়।

কিন্তু বাড়িতে কাউকে না পেয়ে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থান করে তারা। এ সময় ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম আইনত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে ক্ষতিগ্রস্তরা বাড়ি ফিরে যান।