বিয়ানীবাজারে দেবর খুনের নেপথ্যে ভাবির প্ররোচনা

  বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেট

বিয়ের তিন মাস পর স্বামী ইটালিতে পাড়ি জমান। স্বামী বিদেশ থাকেন- এ ভাবনায় সংসারের প্রতি মনোযোগী হননি স্ত্রী। ভারতীয় সিরিয়াল দেখেই দিনের বেশিরভাগ সময় পার করতেন। এদিকে কুপরামর্শ দিয়ে স্বামীকে দুরে সরিয়ে নেন তার পরিবার-সংসার থেকে। স্বামীও বউয়ের কথায় তাল মেলান।

দেশে থাকা মা, ভাই-বোনদের ছেড়ে বউয়ের কানকথায় দৃঢ় বিশ্বাস করেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় সংসারে নেমে আসে অশান্তির ছায়া। যা শেষ পর্যন্ত খুনোখুনিতে রূপ নেয়। বিয়ানীবাজারে আলম হোসেন খুনের পর এমন অভিযোগ নিহতের স্বজনদের। ভাবির প্ররোচনাতেই দেবর আলম হোসেন খুন হয়েছেন।

এদিকে খুনের ঘটনায় ১০ জনকে আসামি করে রোববার মামলা করেছেন নিহতের ভাই। পুলিশ জামিল আহমেদ ও রুমা বেগম নামে দু’জনকে আটক করেছে। স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর মিছবাহ উদ্দিন জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে আলমকে খুন করা হয়েছে। আলমের মা এ প্রতিবেদকের কাছে বিলাপ করে বলেন, আমার পুত্রবধূ নাজমিনের কারণে তারা আলমকে খুন করেছে।

তিনি বলেন, নাজমিনের ভাই ফুয়াদ, চাচা মতিউর, মতিউরের শ্যালক জামিল, চাচাতো ভাই শিপন, শাহজাহান, খুদেজা, সুমাইয়া, মইরম, শরীফ মিলে আমার পুত্রকে কুপিয়ে খুন করে। পারিবারিক সূত্র জানায়, নিহত আলম হোসেন ৩ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে দ্বিতীয়।

বড় ভাই ইটালি প্রবাসী জামিল ও ছোট ভাই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কাতার প্রবাসী এলেক্স কামাল। বিয়ানীবাজার পৌরশহরের খাসাড়িপাড়ার নিহত আলম হোসেনের বড় ভাই ইটালি প্রবাসী জামিল হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় পাশের বাড়ির সোনা মিয়ার কন্যা নাজমিন বেগমের।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter