সুনামগঞ্জে ১৭ বেইলি সেতু ঝুঁকিপূর্ণ

ছাতকে দুর্ঘটনায় নিহত ২ : যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

  সুনামগঞ্জ ও ছাতক প্রতিনিধি ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সুনামগঞ্জ জেলার ২৪টি বেইলি সেতুর ১৭টিই ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় সেতু ভেঙে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ভোগান্তির শিকার হতে পারেন যাতায়াতকারী যাত্রী সাধারণ। রোববার ছাতকের লক্ষ্মীবাউর বেইলি সেতু ভেঙে দু’জন নিহতের ঘটনা ঘটেছে। ওই সড়কে যান চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এর আগে দিরাই-শাল্লা সড়কের বোগলাখাড়া ও দরগাহপুর বেইলি সেতু ভেঙে সারা দেশের সঙ্গে দুটি উপজেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রায় ১৫ দিন বন্ধ ছিল। একের পর এক বেইলি সেতু ভেঙে প্রাণহানি এবং যান চলাচল বন্ধ থাকলেও এগুলো সংস্কার বা স্থায়ীভাবে সেতু নির্মাণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলীর দাবি, ২৪টি বেইলি সেতুর ১২টি সেতুকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তাদের দাবি ১২টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থায়ীভাবে নির্মাণের জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, সুনামগঞ্জ-জগন্নাথপুর সড়কে ৯টি বেইলি সেতুর সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ণ। সুনাগঞ্জের ছাতক-দোয়ারাবাজার সড়কের আরও দুটি বেইলি সেতু ঝুঁকিপূর্ণ। সেগুলো হচ্ছে সাহেব খালীর বেইলি সেতু ও নৈনগাঁও নোয়াজের খালের ওপরের বেইলি সেতু। সুনামগঞ্জ-দিরাই সড়কে দরগাহপুর, দেবগ্রাম-বোগলাখাড়া ও মরা সুরমার ওপর মদনপুর বেইলি সেতুটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সুনামগঞ্জ-সাচনা বাজার সড়কের খোকরাপসি ও সালমারা বেইলি সেতু দুটিও রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায়। সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের পাগলা এলাকা থেকে জগন্নাথপুর পৌর শহর পর্যন্ত সড়কের দূরত্ব ২১ কিলোমিটার। এ ২১ কিলোমিটারে সেতু আছে ১৬টি। এর মধ্যে পাকা সেতু সাতটি এবং বেইলি সেতু নয়টি। নয়টি বেইলি সেতুর সবকটিই ঝুঁকিপূর্ণ। সাতটি আবার মারাÍক ঝুঁকিপূর্ণ। পাগলা থেকে জগন্নাথপুর যেতে আক্তাপাড়া, দরগাপাশা, বমবমি বাজার, ভাতগাঁও, কুন্দানালা, গয়াসপুর, কলকলিয়া, খাসিলা, মজিদপুর এলাকায় নয়টি ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতু রয়েছে। এসব সেতুর পাশে ‘ঝুঁকিপূর্ণ সেতু’ সাইনবোর্ড টানিয়ে রেখেছে সওজ কর্তৃপক্ষ। দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা আজিজ বলেন, ‘ছাতক-দোয়ারার ঝুঁকিপূর্ণ ৩ সেতু স্থায়ীভাবে নির্মিত না হলে যেকোনো সময় বড় বিপদ হতে পারে। এ তিন সেতুর একটি ভেঙে পড়েছে, অন্যগুলোও বিপজ্জনক অবস্থায় আছে।’ জামালগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইউসুফ আল আজাদ বলেন, ‘সাচনা-জামালগঞ্জ সড়কের খোকরাপসি ও সালমারা বেইলি সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল চললেই কম্পন শুরু হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×