দুমকিতে অন্য স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থী বিক্রি!

  পটুয়াখালী ও দুমকি প্রতিনিধি ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দুমকির লেবুখালী হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে নিজ বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেয়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে যুগান্তরের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, দীর্ঘ একযুগেরও বেশি সময় ধরে দুমকি কেন্দ্র থেকেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করত লেবুখালী হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তবে ভালো ফলাফলের আশায় পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের অবৈধ সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন বদরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্র স্থানান্তর করে বিদ্যালয়টি। সরেজমিন পরিদর্শনে পরীক্ষা কেন্দ্রটিতে ছাত্র-শিক্ষক মিলেমিশে পরীক্ষা দেয়ার দৃশ্য চোখে পড়েছে। তাছাড়া কেন্দ্র সংলগ্ন একটি নির্জন স্থান থেকে প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টাকালে লেবুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কয়েক ছাত্রী ও শিক্ষক পুলিশের হাতে ধরা পড়ার খবর পাওয়া গেছে। অপরদিকে বদরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টিতে প্রয়োজনীয়সংখ্যক শিক্ষার্থী না থাকায় কেন্দ্র টিকিয়ে রাখতে লেবুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে স্থানান্তর করা হয়েছে সেখানে। ওই পাঁচ শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন কার্ডে লেবুখালী হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম লেখা থাকলেও প্রবেশপত্রে উল্লেখ রয়েছে বদরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম। স্থানান্তরিত হওয়া পাঁচ শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তাদের যে অন্য বিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে তা তারা নিজেরাও জানেন না। প্রথমে প্রবেশপত্রে অন্য বিদ্যালয়ের নাম দেখে ঘাবড়ে যান তারা। তবে উভয় বিদ্যালয় থেকেই তাদের যেকোনো মূল্যে পাস করিয়ে দেয়ার কথা বললে নিশ্চিন্ত হন তারা।

লেবুখালী হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের অবৈধভাবে অন্য বিদ্যালয়ে স্থানান্তর করার সব প্রমাণপত্র যুগান্তরের কাছে সংরক্ষিত আছে। অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে লেবুখালী হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, এটি খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। এরকম প্রায়ই হয়ে থাকে। একজন শিক্ষার্থীর একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে রেজিস্ট্রেশন থাকতেই পারে। তবে শিক্ষার্থীদের অজান্তেই তাদের অন্য বিদ্যালয়ে কীভাবে স্থানান্তর করা হল এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।

 

 

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.