ভৈরবে ডিলারকে শোকজ
jugantor
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল গুদামে কম
ভৈরবে ডিলারকে শোকজ

  ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভৈরবে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় শ্রীনগর ইউনিয়নে বরাদ্দকৃত ১৯০ বস্তা চাল গুদাম থেকে সরবরাহ নেয়ার ৯ দিন পরও ২৪ বস্তা চাল ডিলারের গুদামে পৌঁছেনি। ওই কর্মসূচির আওতায় সোমবার ১০ টাকা কেজিতে কার্ডধারী হতদরিদ্রদের কাছে চাল বিতরণের আগে ট্যাগ অফিসার বরাদ্দকৃত চালের মজুদ পরীক্ষা করার সময় ১৬৬ বস্তা চাল গুদামে মজুদ থাকলেও ২৪ বস্তা কম থাকায় বিতরণ বন্ধ রাখেন। ভৈরব খাদ্যগুদামের ডেলিভারি মেমোতে দেখা যায়, এলাকার ডিলার হেলাল উদ্দিন ৭ সেপ্টেম্বর গুদাম থেকে ১৯০ বস্তা চাল সরবরাহ নিয়েছে। ঘটনার সময় ডিলার হেলাল উদ্দিন ট্যাগ অফিসার মো. শফিকুর রহমানকে জানান, পরিবহন সংকটের কারণে ২৪ বস্তা চাল গুদামে আনতে পারেননি। ট্যাগ অফিসারের সন্দেহ হলে তিনি চাল বিতরণ বন্ধ করে ঘটনাটি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সায়দুল্লাহ মিয়া ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানাকে জানান। মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা পরিষদে কমিটির একটি সভা হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিলারকে শোকজ করা হয়েছে। জানা গেছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ভৈরব উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ১৪ জন ডিলারের মাধ্যমে ১০ টাকা কেজিতে চাল দেয়া হয়। প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা তালিকা অনুযায়ী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস থেকে প্রত্যেককে একটি করে কার্ড দেয়া হয়। সেই অনুযায়ী শ্রীনগর ইউনিয়নের ডিলার ৩০৮ জন কার্ডধারীকে ১০ টাকা কেজিতে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করবে। বিতরণ তদারকিতে প্রতিজন ডিলারের বিপরীতে একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োজিত রয়েছেন। মঙ্গলবার শ্রীনগর ইউনিয়নের ডিলার চাল বিতরণের নির্ধারিত দিন ছিল। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহেরের উপস্থিতিতে ট্যাগ অফিসার গুদামে ২৪ বস্তা চাল কম দেখে বিতরণ বন্ধ রাখেন। ডিলার হেলাল উদ্দিন জানান, পরিবহন সংকটের কারণে ২৪ বস্তা চাল গুদামে আনতে পারেননি। তবে সোমবার বিকালেই ২৪ বস্তা চাল গুদামে আনা হয়েছে। ঘটনাটি ট্যাগ অফিসার ভুল বুঝেছেন বলে তার দাবি। উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের কর্মকর্তা ট্যাগ অফিসার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শফিকুর রহমান জানান, গত ৭ সেপ্টেম্বর খাদ্যগুদাম থেকে ১৯০ বস্তা চাল সরবরাহ নিয়ে ২৪ বস্তা চাল ৯ দিনেও গুদামে আনতে পারেননি কথাটি বিশ্বাস্যযোগ্য নয়। হতদরিদ্রদেরকে দেয়া চাল নিয়ে কারসাজি করে কালোবাজারে বিক্রি করে ডিলারকে অতি মুনাফা করতে দেয়া যায় না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানা জানান, বিষয়টি আমার নজরে এলে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে নিয়ে কমিটির সভা করেছি। ডিলারের বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল গুদামে কম

ভৈরবে ডিলারকে শোকজ

 ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভৈরবে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় শ্রীনগর ইউনিয়নে বরাদ্দকৃত ১৯০ বস্তা চাল গুদাম থেকে সরবরাহ নেয়ার ৯ দিন পরও ২৪ বস্তা চাল ডিলারের গুদামে পৌঁছেনি। ওই কর্মসূচির আওতায় সোমবার ১০ টাকা কেজিতে কার্ডধারী হতদরিদ্রদের কাছে চাল বিতরণের আগে ট্যাগ অফিসার বরাদ্দকৃত চালের মজুদ পরীক্ষা করার সময় ১৬৬ বস্তা চাল গুদামে মজুদ থাকলেও ২৪ বস্তা কম থাকায় বিতরণ বন্ধ রাখেন। ভৈরব খাদ্যগুদামের ডেলিভারি মেমোতে দেখা যায়, এলাকার ডিলার হেলাল উদ্দিন ৭ সেপ্টেম্বর গুদাম থেকে ১৯০ বস্তা চাল সরবরাহ নিয়েছে। ঘটনার সময় ডিলার হেলাল উদ্দিন ট্যাগ অফিসার মো. শফিকুর রহমানকে জানান, পরিবহন সংকটের কারণে ২৪ বস্তা চাল গুদামে আনতে পারেননি। ট্যাগ অফিসারের সন্দেহ হলে তিনি চাল বিতরণ বন্ধ করে ঘটনাটি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সায়দুল্লাহ মিয়া ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানাকে জানান। মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা পরিষদে কমিটির একটি সভা হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিলারকে শোকজ করা হয়েছে। জানা গেছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ভৈরব উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ১৪ জন ডিলারের মাধ্যমে ১০ টাকা কেজিতে চাল দেয়া হয়। প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা তালিকা অনুযায়ী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস থেকে প্রত্যেককে একটি করে কার্ড দেয়া হয়। সেই অনুযায়ী শ্রীনগর ইউনিয়নের ডিলার ৩০৮ জন কার্ডধারীকে ১০ টাকা কেজিতে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করবে। বিতরণ তদারকিতে প্রতিজন ডিলারের বিপরীতে একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োজিত রয়েছেন। মঙ্গলবার শ্রীনগর ইউনিয়নের ডিলার চাল বিতরণের নির্ধারিত দিন ছিল। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহেরের উপস্থিতিতে ট্যাগ অফিসার গুদামে ২৪ বস্তা চাল কম দেখে বিতরণ বন্ধ রাখেন। ডিলার হেলাল উদ্দিন জানান, পরিবহন সংকটের কারণে ২৪ বস্তা চাল গুদামে আনতে পারেননি। তবে সোমবার বিকালেই ২৪ বস্তা চাল গুদামে আনা হয়েছে। ঘটনাটি ট্যাগ অফিসার ভুল বুঝেছেন বলে তার দাবি। উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের কর্মকর্তা ট্যাগ অফিসার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শফিকুর রহমান জানান, গত ৭ সেপ্টেম্বর খাদ্যগুদাম থেকে ১৯০ বস্তা চাল সরবরাহ নিয়ে ২৪ বস্তা চাল ৯ দিনেও গুদামে আনতে পারেননি কথাটি বিশ্বাস্যযোগ্য নয়। হতদরিদ্রদেরকে দেয়া চাল নিয়ে কারসাজি করে কালোবাজারে বিক্রি করে ডিলারকে অতি মুনাফা করতে দেয়া যায় না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানা জানান, বিষয়টি আমার নজরে এলে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে নিয়ে কমিটির সভা করেছি। ডিলারের বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে।