চিতলমারীতে আবহাওয়াজনিত কারণে চিংড়ি ঘেরে মড়ক

  চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাগেরহাটের চিতলমারীতে আবহাওয়াজনিত কারণে চিংড়ি ঘেরে মড়ক দেখা দিয়েছে। এতে কয়েক হাজার চিংড়ি চাষীর মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। রোববার সকাল থেকে চিংড়ি চাষীরা উপজেরা মৎস্য অফিসে ভিড় করছে। মেডিসিন দোকানগুলোতে চিংড়ি ঘেরের পানি শোধন ও মড়ক ঠেকানোর ওষুধ কিনতে চাষীরা ভিড় জমাচ্ছেন।

ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ি চাষের ওপর নির্ভরশীল এলাকার অধিকাংশ চাষী। উপজেলার আবাদি-অনাবাদি জমিতে ব্যাপকভাবে চিংড়ি চাষের মাধ্যমে এসব চাষীরা ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখলেও এখন সেটি ভেস্তে যেতে বসেছে। আবহাওয়াজনিত কারণে গত কয়েক দিনে উপজেলার অধিকংশ চিংড়ি ঘেরে মড়ক ছড়িয়ে পড়েছে। এতে চাষীরা চরম উদ্বিগ্ন। ঘেরের মড়ক ঠেকাতে তারা মেডিসিনের দোকানে গিয়ে ভিড় জমাচ্ছেন। এছাড়া ফকির ও দরবেশের কাছ থেকে পানি পড়া ও লাল নিশান টাঙিয়ে মড়ক প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে শ্রীরামপুরের ক্ষতিগ্রস্ত চিংড়ি চাষী কৃষ্ণপদ বালা, অনুপ বালা, দয়াল বালা, তুহিন বিশ্বাস, পাড়ডুমুরিয়া গ্রামের দেবদাস ভক্ত, উত্তম বাড়ৈ ও ডুমুরিয়া গ্রামের সবুজ বাড়ৈ, কিসমত শেখসহ অনেক চাষী হতাশা প্রকাশ করে জানান, হঠাৎ করে ঘেরে মড়ক দেখা দেয়ায় সেটি কোনোভাবেই ফেরানো সম্ভব হচ্ছে না। বাজার থেকে বিভিন্ন মেডিসিন ব্যবহার করেও কোনো কাজে আসছে না। এ পরিস্থিতিতে ঋণগ্রস্ত এসব চাষীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগান চিংড়ি ঘেরে মড়কের কথা স্বীকার করে জানান, এ বছর উপজেলায় মোট ৬ হাজার ৮শ’ হেক্টর ঘেরের জমিতে চিংড়ি চাষ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×