রাজীবপুরের কাস্টমস কর্মকর্তা

চা খেতে দিতে হয় মাসে ৫০ হাজার টাকা

  রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার বালিয়ামারী বর্ডার হাটে পণ্যসামগ্রী ক্রয়-বিক্রয়কারীদের কাছ থেকে চা খরচের কথা বলে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। হাটে পণ্য প্রবেশের সময় বিক্রেতাদের যেমন ওই চা খরচের টাকা গুনতে হয় তেমনি হাট থেকে পণ্যসামগ্রী বের করার সময়ও। এতে দেখা গেছে, প্রতি হাটে কাস্টমস কর্মকর্তা আখতার হোসেনের পকেটে ঢুকে খরচ বাবদ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা। চা খরচের ওই টাকা না দিলে পণ্যসামগ্রী ঢুকবেও না আবার বেরও করা যাবে না। সরেজমিন অনুসন্ধানে হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে ওই তথ্য জানা গেছে। বুধবার বালিয়ামারী হাটে গিয়ে কথা হয় হাট সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে। কথা হয় হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আলম বাদলের সঙ্গে। তিনি জানান, আমাদের কাছে অভিযোগ আছে, কাস্টমস কর্মকর্তা পণ্যসামগ্রী প্রবেশের সময় বস্তাপ্রতি দুই হাজার এবং হাট থেকে পণ্যসামগ্রী বের করার সময়ও বস্তাপ্রতি ওই একই হারে চা খরচের নামে অর্থ আদায় করছেন। ওই অর্থ সুবিধা নিয়ে তিনি নির্ধারিত পণ্যের বেশি পণ্য প্রবেশের সুযোগও করে দেন। একইভাবে ওই সুবিধা দিয়ে একজন ক্রেতা নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি টাকার পণ্য নিয়ে আসছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাটের একজন বিক্রেতা বলেন, ‘কাস্টমস কর্মকর্তার অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ। প্রতি হাটেই তাকে অবৈধ সুবিধা দিতে হচ্ছে। একই ধরনের অভিযোগ করেন হাটের ২৫ জন বিক্রেতাদের সবাই। অভিযোগে আরও জানা গেছে, প্রতি হাটে ৩শ’ ক্রেতা পণ্যসামগ্রী কিনতে পারেন। এসব ক্রেতার হাতে পণ্য কেনার স্লিপ বা অনুমতি দিয়ে থাকেন কাস্টমস কর্মকর্তা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত কাস্টমস কর্মকর্তা আখতার হোসেন বলেন, ‘প্রতি হাটে চা খরচ বাবদ ৫০ হাজার টাকা আমি নেই এটা মিথ্যা। আমি কোনো অনিয়মও করি না দুর্নীতিও করি না। কেউ যদি আপনাকে বলে থাকে তাহলে শত্রুতামূলকভাবে বলছে।’

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

 
×