পাবনায় গ্রামপুলিশের রহস্যজনক মৃত্যু
jugantor
পাবনায় গ্রামপুলিশের রহস্যজনক মৃত্যু
নিয়ামতপুরে গৃহবধূ ও ঈশ্বরদীতে ছাত্রীর লাশ উদ্ধার

  পাবনা, নিয়ামতপুর (নওগাঁ) ও ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি  

০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাবনার সুজানগরে আবদুর রাজ্জাক (৬৫) নামের ইউনিয়ন পরিষদের এক অবসরপ্রাপ্ত গ্রাম পুলিশের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। কী কারণে তিনি মারা গেছেন- তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মৃত গ্রাম পুলিশের স্বজনরা এটি অস্বাভাবিক মৃত্যু বলে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের একটি খামারের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। সুজানগর থানা সূত্র ও গ্রাম পুলিশের স্বজনরা জানান, সোমবার রাত ১০টার দিকে আবদুর রাজ্জাক তার আমেরিকা প্রবাসী ছোট ভাই মুরাদ হোসেনের নারায়ণপুরের ছাগলের খামার, ফলের বাগান এবং পুকুর পাহারা দেয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গ্রামবাসী রাজ্জাকের লাশ ওই খামার ঘরের পাশে পড়ে থাকতে দেখে তার বাড়িতে খবর দিলে ছেলে কামরুল ইসলাম বিষয়টি থানা পুলিশকে জানায়।

এদিকে নওগাঁর নিয়ামতপুরে শাশুড়ি-ননদের নির্যাতনে নার্গিস (৩৫) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। নিহত নার্গিস সন্তোষ গ্রামের আলিম উদ্দিনের স্ত্রী। তার মৃত্যুর ঘটনায় ওই গৃহবধূর ভাই শহীদুল ইসলাম সোমবার বাদী হয়ে নিয়ামতপুর থানায় শাশুড়ি-ননদসহ ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার পর ননদ মতিজান ও গোলেনুরকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার বিকালে উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের সন্তোষ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী খুনের বিচার দাবি করেন। জানা যায়, প্রায় ১৮ বছর আগে মান্দা উপজেলার গণেশপুর গ্রামের আব্বাস আলীর মেয়ের সঙ্গে নিয়ামতপুর উপজেলার আলিম উদ্দীনের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর থেকে নার্গিসের সঙ্গে তার শাশুড়ি অমিরন বেগমের ঝগড়াঝাঁটি লেগেই থাকত। ঘটনার দিন শনিবার বিকালে সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও বউ-শাশুড়ির মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শাশুড়ি অমিরন বেগম উত্তেজিত হয়ে বউকে প্রহার শুরু করেন। এর কিছুক্ষণ পর শাশুড়ি বাড়ির বের হয়ে একই গ্রামে বসবাসরত তার দুই মেয়ে ও জামাতাকে সংবাদ দেন। তারা সবাই সম্মিলিত হয়ে আবারও নার্গিসকে মারধর শুরু করে।

অপরদিকে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার শিমুলতলা গ্রামের নিজ ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ফারজানা আক্তার নামে ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্রী ছিলেন। তার বাবা জাহাঙ্গীর ফকির মালয়েশিয়া প্রবাসী।

পাবনায় গ্রামপুলিশের রহস্যজনক মৃত্যু

নিয়ামতপুরে গৃহবধূ ও ঈশ্বরদীতে ছাত্রীর লাশ উদ্ধার
 পাবনা, নিয়ামতপুর (নওগাঁ) ও ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি 
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাবনার সুজানগরে আবদুর রাজ্জাক (৬৫) নামের ইউনিয়ন পরিষদের এক অবসরপ্রাপ্ত গ্রাম পুলিশের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। কী কারণে তিনি মারা গেছেন- তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মৃত গ্রাম পুলিশের স্বজনরা এটি অস্বাভাবিক মৃত্যু বলে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের একটি খামারের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। সুজানগর থানা সূত্র ও গ্রাম পুলিশের স্বজনরা জানান, সোমবার রাত ১০টার দিকে আবদুর রাজ্জাক তার আমেরিকা প্রবাসী ছোট ভাই মুরাদ হোসেনের নারায়ণপুরের ছাগলের খামার, ফলের বাগান এবং পুকুর পাহারা দেয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গ্রামবাসী রাজ্জাকের লাশ ওই খামার ঘরের পাশে পড়ে থাকতে দেখে তার বাড়িতে খবর দিলে ছেলে কামরুল ইসলাম বিষয়টি থানা পুলিশকে জানায়।

এদিকে নওগাঁর নিয়ামতপুরে শাশুড়ি-ননদের নির্যাতনে নার্গিস (৩৫) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। নিহত নার্গিস সন্তোষ গ্রামের আলিম উদ্দিনের স্ত্রী। তার মৃত্যুর ঘটনায় ওই গৃহবধূর ভাই শহীদুল ইসলাম সোমবার বাদী হয়ে নিয়ামতপুর থানায় শাশুড়ি-ননদসহ ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার পর ননদ মতিজান ও গোলেনুরকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার বিকালে উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের সন্তোষ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী খুনের বিচার দাবি করেন। জানা যায়, প্রায় ১৮ বছর আগে মান্দা উপজেলার গণেশপুর গ্রামের আব্বাস আলীর মেয়ের সঙ্গে নিয়ামতপুর উপজেলার আলিম উদ্দীনের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর থেকে নার্গিসের সঙ্গে তার শাশুড়ি অমিরন বেগমের ঝগড়াঝাঁটি লেগেই থাকত। ঘটনার দিন শনিবার বিকালে সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও বউ-শাশুড়ির মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শাশুড়ি অমিরন বেগম উত্তেজিত হয়ে বউকে প্রহার শুরু করেন। এর কিছুক্ষণ পর শাশুড়ি বাড়ির বের হয়ে একই গ্রামে বসবাসরত তার দুই মেয়ে ও জামাতাকে সংবাদ দেন। তারা সবাই সম্মিলিত হয়ে আবারও নার্গিসকে মারধর শুরু করে।

অপরদিকে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার শিমুলতলা গ্রামের নিজ ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ফারজানা আক্তার নামে ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্রী ছিলেন। তার বাবা জাহাঙ্গীর ফকির মালয়েশিয়া প্রবাসী।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন