চাঁদপুরে অভয়াশ্রমে ইলিশ ও অন্যান্য মাছ নিধন
jugantor
চাঁদপুরে অভয়াশ্রমে ইলিশ ও অন্যান্য মাছ নিধন

  চাঁদপুর প্রতিনিধি  

০৯ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেঘনা নদী এলাকায় ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা চলছে। আর সেটি অমান্য করে চাঁদপুর শহরের পুরানবাজারে প্রকাশ্যে ইলিশ হরিসভা ও রণাগোয়াল খালের জেলে নামধারী দুর্বৃত্তরা মাছ ধরছে। এখানকার ১০ থেকে ১৫টি নৌকা সকাল, বিকেল ও রাতে নদীতে গিয়ে ইলিশসহ বিভিন্ন মাছ আহরণ করলেও স্থানীয় ফাঁড়ি পুলিশ কিছু বলছে না। সেখানে চিহ্নিত কিছু লোক সরকারি দলের পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটায়। তারা নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের নদীতে পাঠিয়ে জাটকাসহ ইলিশ শিকার করাচ্ছে। অবৈধভাবে মাছের আড়তদারি করে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে নিচ্ছে ওই চক্র। কয়েক ভাগে বিভক্ত চক্রটির টাকা কামানোর মাধ্যম হল মা ইলিশ ও জাটকা নিধনের সময় আড়তদারি করা। নদীতে অভিযানের এক সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও প্রতিদিনই হরিসভা ও রণাগোয়াল এলাকায় ইলিশের ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। পুলিশ ফাঁড়ির নাগালের মধ্য নদীর পাড়, বাজার ও পাড়া-মহল্লায় কিছু লোক প্রকাশ্যে ইলিশ ও জাটকা নিধন করছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দুই মাস ইলিশসহ যেকোনো মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও সরবরাহ নিষিদ্ধ থাকবে। জেলা মৎস্য বিভাগ জানায়, জেলেদের জাটকাসহ সব ধরনের মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকার জন্য ইতোমধ্যে সচেতনতামূলক সভা করা হয়েছে। নদী এলাকায় মাইকিং করা, জেলেপাড়ায় লিফলেট বিতরণ ও আড়তগুলোতে ব্যানার সাঁটানো হয়েছে। আইন অমান্য করে কোনো জেলে জাটকা নিধন করলে তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মালেক দেওয়ান জানান, সবদিক থেকে জেলে নৌকা নদীতে নামছে। এরা মৌসুমি জেলে। প্রকৃত জেলেরা মৎস্য আইন মেনে নদীতে যায় না। এ সুযোগ কাজে লাগায় জেলে নামধারী জলদস্যুরা। তারা ৩০-৪০ হাজার টাকা থেকে প্রতি নৌকায় লাখ টাকার মাছ পাচ্ছে। নৌ পুলিশ, ফাঁড়ি পুলিশ নৌকাপ্রতি টাকা পায়। এজন্য ইলিশের সর্বনাশ করা হচ্ছে। আর যারা আইন মেনে নদীতে যায় না জেলেদের বিরাট অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যাদের মদদে নদীতে নৌকা নামছে, অভিযানের মধ্য মাছ ধরছে এবং আড়তদারি করছে তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে দাবি জানিয়েছেন মৎস্যজীবীদের ওই নেতা।

চাঁদপুরে অভয়াশ্রমে ইলিশ ও অন্যান্য মাছ নিধন

 চাঁদপুর প্রতিনিধি 
০৯ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেঘনা নদী এলাকায় ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা চলছে। আর সেটি অমান্য করে চাঁদপুর শহরের পুরানবাজারে প্রকাশ্যে ইলিশ হরিসভা ও রণাগোয়াল খালের জেলে নামধারী দুর্বৃত্তরা মাছ ধরছে। এখানকার ১০ থেকে ১৫টি নৌকা সকাল, বিকেল ও রাতে নদীতে গিয়ে ইলিশসহ বিভিন্ন মাছ আহরণ করলেও স্থানীয় ফাঁড়ি পুলিশ কিছু বলছে না। সেখানে চিহ্নিত কিছু লোক সরকারি দলের পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটায়। তারা নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের নদীতে পাঠিয়ে জাটকাসহ ইলিশ শিকার করাচ্ছে। অবৈধভাবে মাছের আড়তদারি করে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে নিচ্ছে ওই চক্র। কয়েক ভাগে বিভক্ত চক্রটির টাকা কামানোর মাধ্যম হল মা ইলিশ ও জাটকা নিধনের সময় আড়তদারি করা। নদীতে অভিযানের এক সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও প্রতিদিনই হরিসভা ও রণাগোয়াল এলাকায় ইলিশের ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। পুলিশ ফাঁড়ির নাগালের মধ্য নদীর পাড়, বাজার ও পাড়া-মহল্লায় কিছু লোক প্রকাশ্যে ইলিশ ও জাটকা নিধন করছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দুই মাস ইলিশসহ যেকোনো মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও সরবরাহ নিষিদ্ধ থাকবে। জেলা মৎস্য বিভাগ জানায়, জেলেদের জাটকাসহ সব ধরনের মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকার জন্য ইতোমধ্যে সচেতনতামূলক সভা করা হয়েছে। নদী এলাকায় মাইকিং করা, জেলেপাড়ায় লিফলেট বিতরণ ও আড়তগুলোতে ব্যানার সাঁটানো হয়েছে। আইন অমান্য করে কোনো জেলে জাটকা নিধন করলে তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মালেক দেওয়ান জানান, সবদিক থেকে জেলে নৌকা নদীতে নামছে। এরা মৌসুমি জেলে। প্রকৃত জেলেরা মৎস্য আইন মেনে নদীতে যায় না। এ সুযোগ কাজে লাগায় জেলে নামধারী জলদস্যুরা। তারা ৩০-৪০ হাজার টাকা থেকে প্রতি নৌকায় লাখ টাকার মাছ পাচ্ছে। নৌ পুলিশ, ফাঁড়ি পুলিশ নৌকাপ্রতি টাকা পায়। এজন্য ইলিশের সর্বনাশ করা হচ্ছে। আর যারা আইন মেনে নদীতে যায় না জেলেদের বিরাট অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যাদের মদদে নদীতে নৌকা নামছে, অভিযানের মধ্য মাছ ধরছে এবং আড়তদারি করছে তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে দাবি জানিয়েছেন মৎস্যজীবীদের ওই নেতা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন