পত্নীতলায় অতিরিক্ত সেচচার্জ আদায়ের অভিযোগ
jugantor
পত্নীতলায় অতিরিক্ত সেচচার্জ আদায়ের অভিযোগ

  পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি  

০৯ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পত্নীতলায় চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত সেচচার্জ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে গভীর ও অগভীর নলকূপ অপারেটরদের বিরুদ্ধে। কৃষকদের অভিযোগ, সরকারিভাবে নির্ধারিত সেচচার্জ উপেক্ষা করে নিজের ইচ্ছামতো সেচচার্জ আদায় করছেন অপারেটররা। এতে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অপারেটরদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে অভিযোগ করে কোনো লাভ হয় না। পত্নীতলা উপজেলা সেচ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৪৪৩টি গভীর নলকূপ ও ২ হাজার ৫০০টি অগভীর নলকূপ রয়েছে। উপজেলা সেচ কমিটি কর্তৃক এলাকা ভেদে গভীর ও অগভীর নলকূপের সেচচার্জ নির্ধারিত হয়। উপজেলার দিবর, শিহাড়া ও নির্মইল ইউনিয়নের জন্য বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপ ১২০০ টাকা, অগভীর নলকূপ ১৪০০ ও ডিজেল চালিত অগভীর নলকূপ ১৮০০ টাকা। আকবরপুর, মাটিন্দর, কৃষ্ণপুর ও পত্নীতলা ইউনিয়নের জন্য বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপের সেচচার্জ ১১০০ টাকা, অগভীর নলকূপ ১৩০০ ও ডিজেলচালিত অগভীর নলকূপ ১৮০০ টাকা। এ ছাড়া আমাইড়, ঘোষনগর, পাটিচড়া ও নজিপুর ইউনিয়নে সেচচার্জ বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপ ১০০০ টাকা, অগভীর নলকূপ ১২০০ ও ডিজেলচালিত অগভীর নলকূপ ১৭০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী বিঘাপ্রতি সেচচার্জ টাকার রসিদ দিয়ে আদায় করতে হবে অপারেটরদের। এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। সরেজমিন উপজেলার গগনপুর, আমাইড়, পত্নীতলা, কৃষ্ণপুর, মাটিন্দর, আকবরপুর, শিহাড়া, পাটিচড়া ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপ ১৫০০ থেকে ২০০ হাজার টাকা, অগভীর নলকূপ ১৬০০ থেকে ২৫০০ টাকা হারে প্রতিবিঘায় সেচচার্জ আদায় করছেন অপারেটররা। এ সুযোগে ডিজেলচালিত নলকূপের মালিকরাও প্রতিবিঘা ৩৫০০-৪০০০ হাজার টাকা সেচচার্জ আদায় করছেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় অনেকের জমির সেচ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলেও জানান কৃষকরা। আকবরপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম নামে এক অপারেটর বলেন, আমরা সমিতি করে গভীর নলকূপ পরিচালনা করি। সমিতি যে সিদ্ধান্ত নেয়, সে মোতাবেকই চলে। এখানে সরকারি মূল্য বলে কিছু নেই। এ বিষয়ে উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব ও বিএমডিএ সহকারী প্রকৌশলী মো. ইন্তেখাব আলম বলেন, আমরা অপারেটরদের ডেকে সতর্ক করেছি। তারপরও নির্ধারিত সেচচার্জের চেয়ে কোনো অপারেটর বেশি নিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

পত্নীতলায় অতিরিক্ত সেচচার্জ আদায়ের অভিযোগ

 পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি 
০৯ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পত্নীতলায় চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত সেচচার্জ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে গভীর ও অগভীর নলকূপ অপারেটরদের বিরুদ্ধে। কৃষকদের অভিযোগ, সরকারিভাবে নির্ধারিত সেচচার্জ উপেক্ষা করে নিজের ইচ্ছামতো সেচচার্জ আদায় করছেন অপারেটররা। এতে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অপারেটরদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে অভিযোগ করে কোনো লাভ হয় না। পত্নীতলা উপজেলা সেচ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৪৪৩টি গভীর নলকূপ ও ২ হাজার ৫০০টি অগভীর নলকূপ রয়েছে। উপজেলা সেচ কমিটি কর্তৃক এলাকা ভেদে গভীর ও অগভীর নলকূপের সেচচার্জ নির্ধারিত হয়। উপজেলার দিবর, শিহাড়া ও নির্মইল ইউনিয়নের জন্য বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপ ১২০০ টাকা, অগভীর নলকূপ ১৪০০ ও ডিজেল চালিত অগভীর নলকূপ ১৮০০ টাকা। আকবরপুর, মাটিন্দর, কৃষ্ণপুর ও পত্নীতলা ইউনিয়নের জন্য বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপের সেচচার্জ ১১০০ টাকা, অগভীর নলকূপ ১৩০০ ও ডিজেলচালিত অগভীর নলকূপ ১৮০০ টাকা। এ ছাড়া আমাইড়, ঘোষনগর, পাটিচড়া ও নজিপুর ইউনিয়নে সেচচার্জ বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপ ১০০০ টাকা, অগভীর নলকূপ ১২০০ ও ডিজেলচালিত অগভীর নলকূপ ১৭০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী বিঘাপ্রতি সেচচার্জ টাকার রসিদ দিয়ে আদায় করতে হবে অপারেটরদের। এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। সরেজমিন উপজেলার গগনপুর, আমাইড়, পত্নীতলা, কৃষ্ণপুর, মাটিন্দর, আকবরপুর, শিহাড়া, পাটিচড়া ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপ ১৫০০ থেকে ২০০ হাজার টাকা, অগভীর নলকূপ ১৬০০ থেকে ২৫০০ টাকা হারে প্রতিবিঘায় সেচচার্জ আদায় করছেন অপারেটররা। এ সুযোগে ডিজেলচালিত নলকূপের মালিকরাও প্রতিবিঘা ৩৫০০-৪০০০ হাজার টাকা সেচচার্জ আদায় করছেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় অনেকের জমির সেচ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলেও জানান কৃষকরা। আকবরপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম নামে এক অপারেটর বলেন, আমরা সমিতি করে গভীর নলকূপ পরিচালনা করি। সমিতি যে সিদ্ধান্ত নেয়, সে মোতাবেকই চলে। এখানে সরকারি মূল্য বলে কিছু নেই। এ বিষয়ে উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব ও বিএমডিএ সহকারী প্রকৌশলী মো. ইন্তেখাব আলম বলেন, আমরা অপারেটরদের ডেকে সতর্ক করেছি। তারপরও নির্ধারিত সেচচার্জের চেয়ে কোনো অপারেটর বেশি নিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন