আগৈলঝাড়ায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর অনশন
jugantor
আগৈলঝাড়ায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর অনশন

  আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি  

০৯ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগৈলঝাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছে প্রেমিকা। পরিচয় গোপন করে মোবাইল ফোনে দুই বছরের প্রেম করে ঢাকায় গিয়ে বিয়ে করে বসবাস শুরু করে। কয়েক দিন যেতে না যেতেই শুরু করে প্রতারণা। ফলে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে শুক্রবার থেকে অনশনে বসে ওই প্রেমিকা। আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে না করলে বিষপানে আত্মহত্যা করবে বলে হুমকি দিয়েছে প্রেমিকা। এদিকে অনশনের কারণে ঘরে তালা দিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়েছে প্রেমিক পরিবারের লোকজন।

জানা গেছে, রাজিহার ইউনিয়নের দর্জিরপাড় গ্রামের শ্যামল মল্লিকের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে সাথী মল্লিকের সাথে পরিচয় গোপন রেখে দুই বছর থেকে মোবাইল ফোনে প্রেম করে বাগপাড়া গ্রামের কানাই বৈষ্ণবের ছেলে কর্নধর বৈষ্ণব। ১৯ জানুয়ারি ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করার পর এক সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করেন তারা। ওই সময় কর্নধর বৈষ্ণব তার পরিচয় দেন জীবন বৈষ্ণব, বাড়ি মাদারীপুরে। মাত্র ৮ দিন সংসার করে সাথী মল্লিক বরিশালে পরীক্ষা দিতে এসে পুনরায় ফিরে গেলে তাকে আর বাসায় ঢুকতে দেননি কর্নধর। এরপর ওই এলাকার লোকজন কর্নধর বৈষ্ণবকে দিয়ে সাথীকে আত্মীয়ের কাছে পৌঁছে দেয়। পরে পরিচয় জানতে পেরে শুক্রবার থেকে কর্নধর বৈষ্ণবের গ্রামের বাড়ি বাগপাড়ায় গিয়ে স্বীকৃতির দাবিতে সাথী মল্লিক অনশনে বসেন।

ইউপি সদস্য রমেশ সরকার সাংবাদিকদের জানান, কর্নধর বৈষ্ণবের বাবা কানাই বৈষ্ণবের আবেদনে এক সপ্তাহের সময় দেয়া হয়েছে। ১৩ মার্চ মীমাংসা করে দেয়া হবে। আগৈলঝাড়া থানা ওসি আফজাল হোসেন জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আগৈলঝাড়ায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর অনশন

 আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি  
০৯ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগৈলঝাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছে প্রেমিকা। পরিচয় গোপন করে মোবাইল ফোনে দুই বছরের প্রেম করে ঢাকায় গিয়ে বিয়ে করে বসবাস শুরু করে। কয়েক দিন যেতে না যেতেই শুরু করে প্রতারণা। ফলে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে শুক্রবার থেকে অনশনে বসে ওই প্রেমিকা। আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে না করলে বিষপানে আত্মহত্যা করবে বলে হুমকি দিয়েছে প্রেমিকা। এদিকে অনশনের কারণে ঘরে তালা দিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়েছে প্রেমিক পরিবারের লোকজন।

জানা গেছে, রাজিহার ইউনিয়নের দর্জিরপাড় গ্রামের শ্যামল মল্লিকের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে সাথী মল্লিকের সাথে পরিচয় গোপন রেখে দুই বছর থেকে মোবাইল ফোনে প্রেম করে বাগপাড়া গ্রামের কানাই বৈষ্ণবের ছেলে কর্নধর বৈষ্ণব। ১৯ জানুয়ারি ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করার পর এক সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করেন তারা। ওই সময় কর্নধর বৈষ্ণব তার পরিচয় দেন জীবন বৈষ্ণব, বাড়ি মাদারীপুরে। মাত্র ৮ দিন সংসার করে সাথী মল্লিক বরিশালে পরীক্ষা দিতে এসে পুনরায় ফিরে গেলে তাকে আর বাসায় ঢুকতে দেননি কর্নধর। এরপর ওই এলাকার লোকজন কর্নধর বৈষ্ণবকে দিয়ে সাথীকে আত্মীয়ের কাছে পৌঁছে দেয়। পরে পরিচয় জানতে পেরে শুক্রবার থেকে কর্নধর বৈষ্ণবের গ্রামের বাড়ি বাগপাড়ায় গিয়ে স্বীকৃতির দাবিতে সাথী মল্লিক অনশনে বসেন।

ইউপি সদস্য রমেশ সরকার সাংবাদিকদের জানান, কর্নধর বৈষ্ণবের বাবা কানাই বৈষ্ণবের আবেদনে এক সপ্তাহের সময় দেয়া হয়েছে। ১৩ মার্চ মীমাংসা করে দেয়া হবে। আগৈলঝাড়া থানা ওসি আফজাল হোসেন জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন