শহীদের স্বীকৃতি ও পেনশন মঞ্জুরের দাবি রাজশাহীতে
jugantor
শহীদের স্বীকৃতি ও পেনশন মঞ্জুরের দাবি রাজশাহীতে

  রাজশাহী ব্যুরো  

০৯ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একাত্তরের ২৬ এপ্রিল রাজশাহীর পবা-বোয়ালিয়া জয়েন্ট সার্কেল রাজস্ব অফিসের ফিল্ড কানুনগো ফজলে বারী পাকিস্তানি সেনাদের হাতে শহীদ হন। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ফজলে বারীর মৃত্যুসনদে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে- ‘১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন পাক সেনাবাহিনীর গুলিতে শহীদ’। সিটি কর্পোরেশন এ স্বীকৃতি দিলেও শহীদ হিসেবে মেলেনি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। তাই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফজলে বারীর ছেলে মাসুম কবীর। রোববার দুপুরে রাজশাহী সিটি প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। মাসুম কবীর একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। নগরীর শিরোইল মঠপুকুর এলাকার বাসিন্দা। সংবাদ সম্মেলনে মাসুম জানান, শহীদের সন্তান হিসেবে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা তো দূরের কথা, একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি হিসেবে বাবার প্রাপ্য পেনশনও তিনি পাচ্ছেন না। মাসুম কবীর জানান, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় তার বাবা ফজলে বারী রাজশাহী কলেজের ছাত্র ছিলেন। তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন ভাষা আন্দোলনে। পরে তিনি ফিল্ড কানুনগো পদে যোগ দেন। পাশাপাশি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবি পড়াশোনা করছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৬ এপ্রিল নগরীর শিরোইল মসজিদের সামনে ফজলে বারীকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনারা। সংবাদ সম্মেলনে নগরীর ২১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হক বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

শহীদের স্বীকৃতি ও পেনশন মঞ্জুরের দাবি রাজশাহীতে

 রাজশাহী ব্যুরো 
০৯ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একাত্তরের ২৬ এপ্রিল রাজশাহীর পবা-বোয়ালিয়া জয়েন্ট সার্কেল রাজস্ব অফিসের ফিল্ড কানুনগো ফজলে বারী পাকিস্তানি সেনাদের হাতে শহীদ হন। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ফজলে বারীর মৃত্যুসনদে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে- ‘১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন পাক সেনাবাহিনীর গুলিতে শহীদ’। সিটি কর্পোরেশন এ স্বীকৃতি দিলেও শহীদ হিসেবে মেলেনি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। তাই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফজলে বারীর ছেলে মাসুম কবীর। রোববার দুপুরে রাজশাহী সিটি প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। মাসুম কবীর একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। নগরীর শিরোইল মঠপুকুর এলাকার বাসিন্দা। সংবাদ সম্মেলনে মাসুম জানান, শহীদের সন্তান হিসেবে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা তো দূরের কথা, একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি হিসেবে বাবার প্রাপ্য পেনশনও তিনি পাচ্ছেন না। মাসুম কবীর জানান, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় তার বাবা ফজলে বারী রাজশাহী কলেজের ছাত্র ছিলেন। তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন ভাষা আন্দোলনে। পরে তিনি ফিল্ড কানুনগো পদে যোগ দেন। পাশাপাশি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবি পড়াশোনা করছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৬ এপ্রিল নগরীর শিরোইল মসজিদের সামনে ফজলে বারীকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনারা। সংবাদ সম্মেলনে নগরীর ২১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হক বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন