পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীর প্রেমিকদের হাতে জেলে খুন
jugantor
পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীর প্রেমিকদের হাতে জেলে খুন
ওসমানীনগরে আসামিদের স্বীকারোক্তি

  ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি  

১১ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটের ওসমানীনগরে জেলে সজেন্দ্র হত্যার ক্লু উদঘাটন করেছে পুলিশ। স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাসের পরকীয়া প্রেমিকদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলা ও তা মেনে নিতে না পারায় পরিকল্পিতভাবে স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাসের প্রেমিকরা শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে। পরে শরীরে পাথর বেঁধে নদীতে ফেলে দেয়। পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন কথা জানায় নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাস, সন্ধ্যা রানীর কথিত প্রেমিক স্বপন দাস ও একই ইউপির মোবারকপুর গ্রামের গোপাল দাস। গ্রেফতার তিন আসামি আদালতে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দেবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওসমানীনগর থানার ওসি (তদন্ত) এসএম মাইন উদ্দিন ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রতন লাল দেব জানান, সন্দেহজনকভাবে নিহত সজেন্দ্রর স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাস, স্বপন দাস ও গোপাল দাসকে আটকের পর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশের কাছে তারা স্বীকারোক্তি প্রদান করে। এর আগে মঙ্গলবার নিহত সজেন্দ্রর বড় ভাই রাকেশ দাস বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে ওসমানীনগর থানায় মামলা করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাস, গোপাল দাস ও স্বপন দাসকে আটক করে। মঙ্গলবার বিকালে নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাস, গোপাল দাস ও স্বপন দাসকে সজেন্দ্র হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।

পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীর প্রেমিকদের হাতে জেলে খুন

ওসমানীনগরে আসামিদের স্বীকারোক্তি
 ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি 
১১ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটের ওসমানীনগরে জেলে সজেন্দ্র হত্যার ক্লু উদঘাটন করেছে পুলিশ। স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাসের পরকীয়া প্রেমিকদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলা ও তা মেনে নিতে না পারায় পরিকল্পিতভাবে স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাসের প্রেমিকরা শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে। পরে শরীরে পাথর বেঁধে নদীতে ফেলে দেয়। পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন কথা জানায় নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাস, সন্ধ্যা রানীর কথিত প্রেমিক স্বপন দাস ও একই ইউপির মোবারকপুর গ্রামের গোপাল দাস। গ্রেফতার তিন আসামি আদালতে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দেবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওসমানীনগর থানার ওসি (তদন্ত) এসএম মাইন উদ্দিন ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রতন লাল দেব জানান, সন্দেহজনকভাবে নিহত সজেন্দ্রর স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাস, স্বপন দাস ও গোপাল দাসকে আটকের পর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশের কাছে তারা স্বীকারোক্তি প্রদান করে। এর আগে মঙ্গলবার নিহত সজেন্দ্রর বড় ভাই রাকেশ দাস বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে ওসমানীনগর থানায় মামলা করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাস, গোপাল দাস ও স্বপন দাসকে আটক করে। মঙ্গলবার বিকালে নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাস, গোপাল দাস ও স্বপন দাসকে সজেন্দ্র হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন