রাজশাহীতে ছাত্রলীগ নেতার চাঁদাবাজি
jugantor
রাজশাহীতে ছাত্রলীগ নেতার চাঁদাবাজি
বান্দরবানে চেক প্রতারণা মামলা

  রাজশাহী ব্যুরো ও বান্দরবান প্রতিনিধি  

১১ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিকের বিরুদ্ধে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। কমিটি পূর্ণাঙ্গ করে দেয়ার নাম করে দুর্গাপুর পৌরসভা শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের কাছে এ চাঁদা দাবি করেন আতিক। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রলীগ নেতা আতিকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল খান ও সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ ছাত্রলীগের রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক বরাবর সোমবার লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের অনুলিপি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগ অস্বীকার তরে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক বলেন, চাঁদা দাবির বিষয়টি ভিত্তিহীন। পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকায় পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক যাদের নাম দিয়েছেন তাদের ভেতরে অনেকেই বিএনপি-জামায়াতের সমর্থক। তাই কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এ ব্যাপারে রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেরাজুল ইসলাম মেরাজ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনও অভিযোগের কপি পাইনি। অভিযোগ পেলে ছাত্রলীগ নেতা আতিকের ব্যাপারে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে বান্দরবানে জেলা ছাত্রলীগের সভপতির বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার চেক প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বান্দরবান চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন জেলা ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আদনান। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাসানের আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি কাউছার সোহাগের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। মামলার বাদী মোহাম্মদ আদনান এজাহারে অভিযোগ করে বলেন, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি কাউছার সোহাগ অংশীদারি ব্যবসায়িক উদ্দেশে বাদীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা নেয়। বন্ড হিসেবে একটি বেসরকারি ব্যাংকের ৩০ লাখ টাকার একটি চেক দিয়েছিলেন। কিন্তু বাদী ব্যাংকে টাকা উত্তোলনের জন্য গেলে ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ তারিখ চেকটি প্রত্যাখ্যাত হয়। এরপর বাদী কাউছার সোহাগকে বিষয়টি জানালে সে পরে টাকা দেবে বলে সময়ক্ষেপণ করেন। পরবর্তীতে বাদী আইনজীবীর মাধ্যমে ছাত্রলীগ সভাপতিকে উকিল নোটিশ পাঠান। কিন্তু তারও জবাব দেননি। পরে মঙ্গলবার আদালতে মামলা করেন ছাত্রলীগের প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক। এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি কাউছার সোহাগ বলেন, এটা একটা ভুল বোঝাবুঝি। আমি তার সঙ্গে বসে সমাধান করব।

রাজশাহীতে ছাত্রলীগ নেতার চাঁদাবাজি

বান্দরবানে চেক প্রতারণা মামলা
 রাজশাহী ব্যুরো ও বান্দরবান প্রতিনিধি 
১১ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিকের বিরুদ্ধে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। কমিটি পূর্ণাঙ্গ করে দেয়ার নাম করে দুর্গাপুর পৌরসভা শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের কাছে এ চাঁদা দাবি করেন আতিক। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রলীগ নেতা আতিকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল খান ও সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ ছাত্রলীগের রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক বরাবর সোমবার লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের অনুলিপি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগ অস্বীকার তরে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক বলেন, চাঁদা দাবির বিষয়টি ভিত্তিহীন। পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকায় পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক যাদের নাম দিয়েছেন তাদের ভেতরে অনেকেই বিএনপি-জামায়াতের সমর্থক। তাই কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এ ব্যাপারে রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেরাজুল ইসলাম মেরাজ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনও অভিযোগের কপি পাইনি। অভিযোগ পেলে ছাত্রলীগ নেতা আতিকের ব্যাপারে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে বান্দরবানে জেলা ছাত্রলীগের সভপতির বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার চেক প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বান্দরবান চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন জেলা ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আদনান। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাসানের আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি কাউছার সোহাগের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। মামলার বাদী মোহাম্মদ আদনান এজাহারে অভিযোগ করে বলেন, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি কাউছার সোহাগ অংশীদারি ব্যবসায়িক উদ্দেশে বাদীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা নেয়। বন্ড হিসেবে একটি বেসরকারি ব্যাংকের ৩০ লাখ টাকার একটি চেক দিয়েছিলেন। কিন্তু বাদী ব্যাংকে টাকা উত্তোলনের জন্য গেলে ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ তারিখ চেকটি প্রত্যাখ্যাত হয়। এরপর বাদী কাউছার সোহাগকে বিষয়টি জানালে সে পরে টাকা দেবে বলে সময়ক্ষেপণ করেন। পরবর্তীতে বাদী আইনজীবীর মাধ্যমে ছাত্রলীগ সভাপতিকে উকিল নোটিশ পাঠান। কিন্তু তারও জবাব দেননি। পরে মঙ্গলবার আদালতে মামলা করেন ছাত্রলীগের প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক। এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি কাউছার সোহাগ বলেন, এটা একটা ভুল বোঝাবুঝি। আমি তার সঙ্গে বসে সমাধান করব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন