নির্বিচারে পাথর উত্তোলন
jugantor
নির্বিচারে পাথর উত্তোলন
বান্দরবানে ধ্বংস হচ্ছে পানির উৎস

  বান্দরবান প্রতিনিধি  

১১ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাহাড়ে পানির উৎস হচ্ছে প্রাকৃতিক ঝরনা, ঝিরি, ছড়া ও ছোট-বড় খাল। কিন্তু পানির এসব উৎস থেকে অনুমোদন ছাড়া নির্বিচারে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে বান্দরবানে পানির উৎসগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি পাহাড়ের পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধের দাবিতে স্থানীয়রা মানববন্ধন কর্মসূচির পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। তারপরও প্রভাবশালী মহল পাথর উত্তোলন বন্ধ করছে না। স্থানীয়রা জানায়, বান্দরবানের থানচি উপজেলার থাইক্ষ্যং দিনতেপাড়া এলাকায় থাইক্ষ্যং ঝিরি, হৈতংপাড়া এলাকার শিলা ঝিরি, বিদ্যামনিপাড়া, প্রাথা ঝিরি, আইলমারা ঝিরি থেকে উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অনিল ত্রিপুরার নেতৃত্বে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে ধ্বংস হচ্ছে পানির উৎসস্থলগুলো। শুকিয়ে যাচ্ছে প্রবাহমান স্বচ্ছ পানির জলধারা। হুমকির মুখে পড়েছে পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর প্রাকৃতিক পরিবেশ। যুবলীগ নেতা অনিল ত্রিপুরা বলেন, প্রশাসনের কোনো অনুমোদন নেই। তবে ক্ষমতার দাপট দেখিয়েও পাথর তোলা হচ্ছে না। অন্যদের মতো পাথর উত্তোলন করে উন্নয়ন কাজের জন্য ঠিকাদারদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। পাথর উত্তোলনের সঙ্গে অনেকে জড়িত। কিন্তু আমার নামটি ছড়াচ্ছে বেশি। জেলা পরিবেশ ও বন রক্ষা কমিটির সভাপতি জুমলিয়ান আমলাই বলেন, পাহাড়ের ঝিরি, ঝরনা, ছোট-বড় ছড়াসহ খালগুলোর যেসব এলাকাগুলো থেকে পাথর অপসারণ করা হচ্ছে, সেখানে দ্রুত পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। পাথর উত্তোলন বন্ধে মানববন্ধনসহ জেলা প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেয়ার পরও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা জড়িত থাকায় থামানো যাচ্ছে না। বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শফিউল আলম বলেন, দু’বছর ধরে পাথর উত্তোলনের কোনো প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়া হয়নি। সাত উপজেলার ইউএনও’দের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া আছে। কোথায় কোথায় পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে সুনির্দিষ্টভাবে প্রশাসনকে জানালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। অনুমোদন আছে বলে যারা বিভ্রান্তকর তথ্য দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নির্বিচারে পাথর উত্তোলন

বান্দরবানে ধ্বংস হচ্ছে পানির উৎস
 বান্দরবান প্রতিনিধি 
১১ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাহাড়ে পানির উৎস হচ্ছে প্রাকৃতিক ঝরনা, ঝিরি, ছড়া ও ছোট-বড় খাল। কিন্তু পানির এসব উৎস থেকে অনুমোদন ছাড়া নির্বিচারে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে বান্দরবানে পানির উৎসগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি পাহাড়ের পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধের দাবিতে স্থানীয়রা মানববন্ধন কর্মসূচির পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। তারপরও প্রভাবশালী মহল পাথর উত্তোলন বন্ধ করছে না। স্থানীয়রা জানায়, বান্দরবানের থানচি উপজেলার থাইক্ষ্যং দিনতেপাড়া এলাকায় থাইক্ষ্যং ঝিরি, হৈতংপাড়া এলাকার শিলা ঝিরি, বিদ্যামনিপাড়া, প্রাথা ঝিরি, আইলমারা ঝিরি থেকে উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অনিল ত্রিপুরার নেতৃত্বে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে ধ্বংস হচ্ছে পানির উৎসস্থলগুলো। শুকিয়ে যাচ্ছে প্রবাহমান স্বচ্ছ পানির জলধারা। হুমকির মুখে পড়েছে পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর প্রাকৃতিক পরিবেশ। যুবলীগ নেতা অনিল ত্রিপুরা বলেন, প্রশাসনের কোনো অনুমোদন নেই। তবে ক্ষমতার দাপট দেখিয়েও পাথর তোলা হচ্ছে না। অন্যদের মতো পাথর উত্তোলন করে উন্নয়ন কাজের জন্য ঠিকাদারদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। পাথর উত্তোলনের সঙ্গে অনেকে জড়িত। কিন্তু আমার নামটি ছড়াচ্ছে বেশি। জেলা পরিবেশ ও বন রক্ষা কমিটির সভাপতি জুমলিয়ান আমলাই বলেন, পাহাড়ের ঝিরি, ঝরনা, ছোট-বড় ছড়াসহ খালগুলোর যেসব এলাকাগুলো থেকে পাথর অপসারণ করা হচ্ছে, সেখানে দ্রুত পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। পাথর উত্তোলন বন্ধে মানববন্ধনসহ জেলা প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেয়ার পরও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা জড়িত থাকায় থামানো যাচ্ছে না। বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শফিউল আলম বলেন, দু’বছর ধরে পাথর উত্তোলনের কোনো প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়া হয়নি। সাত উপজেলার ইউএনও’দের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া আছে। কোথায় কোথায় পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে সুনির্দিষ্টভাবে প্রশাসনকে জানালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। অনুমোদন আছে বলে যারা বিভ্রান্তকর তথ্য দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন