খাগড়াছড়িতে ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসের শঙ্কা
jugantor
খাগড়াছড়িতে ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসের শঙ্কা
মৃত্যুঝুঁকিতে বসবাস

  সমির মল্লিক, খাগড়াছড়ি  

২১ জুন ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

খাগড়াছড়িতে ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসের শঙ্কা
ফাইল ছবি

টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধসের শঙ্কা রয়েছে। রোববার থেকে থেমে বৃষ্টি হলেও বুধ ও বৃহস্পতিবার টানা বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের প্রাণহানির শঙ্কা রয়েছে।

এদিকে পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে বেড়েছে মাইনী ও চেঙ্গী নদীর পানি। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে প্লাবিত হবে নিুাঞ্চল। পাহাড় ধস মোকাবেলায় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন।

সরেজমিন দেখা যায়, খাগড়াছড়ির জেলা সদরের শালবাগান, কদমতলী, কুমিল্লা, মোল্লাপাড়া, সবুজবাগসহ বেশ কিছু এলাকায় স্থানীয়রা পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।

এছাড়া জেলার মাটিরাঙা, দীঘিনালা, রামগড়, লক্ষ্মীছড়ি এবং মহালছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছেন স্থানীয়রা। মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ‘এখানে আমরা বছরের পর বছর বসবাস করছি। অন্য কোথাও আমাদের থাকার জায়গা নেই।’

ফি বছর পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটলেও পাহাড় ধস রোধে নেই কোনো স্থায়ী টেকসই ব্যবস্থাপনা বা পরিকল্পনা।

ফলে প্রতি বছরই পাহাড় ধস বা পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে। পাহাড় কর্তন করে পাদদেশে কিংবা পাহাড়ের ওপর বসবাসরতদের বেশির ভাগই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ। বিকল্প উপায় না পেয়ে বছরের পর বছর তারা এখানে বসবাস করছেন।

মৃত্যুঝুঁকি জেনেও বাধ্য হয়ে এখানে তারা বসবাস করছেন। প্রতি বছর বর্ষা এলে পাহাড়ে বসবাসরতদের মাঝে আতঙ্ক বাড়ে।

খাগড়াছড়ি পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী জানান, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। খাগড়াছড়িতে সরকারিভাবে পাহাড় কেটে উন্নয়নের প্রবণতা বেশি। এতে বিভিন্ন জায়গায় কর্তনকৃত পাহাড় ধসে পড়বে।

দীঘিনালার আবহাওয়া অফিসের উচ্চমান পর্যবেক্ষক ধর্মজ্যোতি চাকমা জানান, আগামী ২১ জুন পর্যন্ত পাহাড়ে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় পার্বত্য এলাকায় পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে।

খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাবিবুল্লাহ মারুফ জানান, পাহাড় ধস মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

খাগড়াছড়িতে ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসের শঙ্কা

মৃত্যুঝুঁকিতে বসবাস
 সমির মল্লিক, খাগড়াছড়ি 
২১ জুন ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
খাগড়াছড়িতে ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসের শঙ্কা
ফাইল ছবি

টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধসের শঙ্কা রয়েছে। রোববার থেকে থেমে বৃষ্টি হলেও বুধ ও বৃহস্পতিবার টানা বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের প্রাণহানির শঙ্কা রয়েছে।

এদিকে পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে বেড়েছে মাইনী ও চেঙ্গী নদীর পানি। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে প্লাবিত হবে নিুাঞ্চল। পাহাড় ধস মোকাবেলায় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন।

সরেজমিন দেখা যায়, খাগড়াছড়ির জেলা সদরের শালবাগান, কদমতলী, কুমিল্লা, মোল্লাপাড়া, সবুজবাগসহ বেশ কিছু এলাকায় স্থানীয়রা পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।

এছাড়া জেলার মাটিরাঙা, দীঘিনালা, রামগড়, লক্ষ্মীছড়ি এবং মহালছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছেন স্থানীয়রা। মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ‘এখানে আমরা বছরের পর বছর বসবাস করছি। অন্য কোথাও আমাদের থাকার জায়গা নেই।’

ফি বছর পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটলেও পাহাড় ধস রোধে নেই কোনো স্থায়ী টেকসই ব্যবস্থাপনা বা পরিকল্পনা।

ফলে প্রতি বছরই পাহাড় ধস বা পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে। পাহাড় কর্তন করে পাদদেশে কিংবা পাহাড়ের ওপর বসবাসরতদের বেশির ভাগই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ। বিকল্প উপায় না পেয়ে বছরের পর বছর তারা এখানে বসবাস করছেন।

মৃত্যুঝুঁকি জেনেও বাধ্য হয়ে এখানে তারা বসবাস করছেন। প্রতি বছর বর্ষা এলে পাহাড়ে বসবাসরতদের মাঝে আতঙ্ক বাড়ে।

খাগড়াছড়ি পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী জানান, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। খাগড়াছড়িতে সরকারিভাবে পাহাড় কেটে উন্নয়নের প্রবণতা বেশি। এতে বিভিন্ন জায়গায় কর্তনকৃত পাহাড় ধসে পড়বে।

দীঘিনালার আবহাওয়া অফিসের উচ্চমান পর্যবেক্ষক ধর্মজ্যোতি চাকমা জানান, আগামী ২১ জুন পর্যন্ত পাহাড়ে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় পার্বত্য এলাকায় পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে।

খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাবিবুল্লাহ মারুফ জানান, পাহাড় ধস মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।