ভূঞাপুরে এখনও ত্রাণ পাননি বন্যার্তরা
jugantor
ভূঞাপুরে এখনও ত্রাণ পাননি বন্যার্তরা

  ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

০৫ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টাঙ্গাইলে ভূঞাপুরে যমুনায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার। এতে উপজেলার একটি ইউনিয়নসহ তিনটি ইউনিয়নের আংশিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তবে ৯ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের সরকারি-বেসরকারি ত্রাণসহায়তা পায়নি বন্যার্তরা। জানা গেছে, জেলায় কয়েকটি উপজেলায় বন্যার্তদের জন্য ১৬৩ টন জিআর চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ত্রাণসহায়তা হিসেবে। তবে বরাদ্দকৃত ওই চাল এখনও বিতরণ করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে ঘরবাড়িতে পানি প্রবেশ করায় চরম কষ্টে দিন কাটছে বন্যাকবলিত মানুষজনের। এছাড়া গ্রামাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকার রাস্তা নদীর পানিতে নষ্ট হওয়ায় যাতায়াত ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। বন্যার্ত এলাকায় টিউবওয়েল তলিয়ে যাওয়ায় বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে। গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। দেখা দিয়েছে গোখাদ্য সংকট। উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চারটি ইউনিয়নে নদীভাঙনসহ বন্যায় আক্রান্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার রয়েছে ১৫ হাজার। এর অনুকূলে চারটি ইউনিয়নের জন্য ২৫ টন জিআর চাল বরাদ্দ করেছে জেলা প্রশাসন। এরমধ্যে গাবসারা ইউনিয়নে ৮ টন, অর্জুনা ইউনিয়নের ৬ টন, নিকরাইল ইউনিয়নে ৪ টন ও গোবিন্দাসী ইউনিয়নে ৪ টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এতে ২৫০০ পরিবারের মাঝে প্রত্যেককে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে। এরমধ্যে জরুরি হিসেবে গাবসারা ও অর্জুনা ইউনিয়নকে আরও ৩ টন চাল বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তবে বরাদ্দকৃত চাল উপজেলায় এসে পৌঁছলেও তা উত্তোলন করা হয়নি। উপজেলা নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মতিন সরকার বলেন, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তসহ বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণসহায়তা বিতরণের জন্য ৪ টন চাল বরাদ্দ পেয়েছি। চাল উত্তোলনের জন্য ডিও পাওয়া গেছে। তবে এখনও চাল উত্তোলন করা হয়নি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় ২৫ টন জিআর চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। চাল উপজেলার খাদ্য গোডাউনে মজুদ রয়েছে। চারটি ইউনিয়নে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। খুব দ্রুতই ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল বিতরণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরীন পারভীন বলেন, উপজেলার চারটি ইউনিয়নের বন্যার্তদের জন্য ২৫ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ২ টন চাল স্থানীয় সংসদ সদস্য চরাঞ্চলের বন্যার্তদের মাঝে বিতরণ করেছেন।

ভূঞাপুরে এখনও ত্রাণ পাননি বন্যার্তরা

 ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
০৫ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টাঙ্গাইলে ভূঞাপুরে যমুনায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার। এতে উপজেলার একটি ইউনিয়নসহ তিনটি ইউনিয়নের আংশিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তবে ৯ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের সরকারি-বেসরকারি ত্রাণসহায়তা পায়নি বন্যার্তরা। জানা গেছে, জেলায় কয়েকটি উপজেলায় বন্যার্তদের জন্য ১৬৩ টন জিআর চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ত্রাণসহায়তা হিসেবে। তবে বরাদ্দকৃত ওই চাল এখনও বিতরণ করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে ঘরবাড়িতে পানি প্রবেশ করায় চরম কষ্টে দিন কাটছে বন্যাকবলিত মানুষজনের। এছাড়া গ্রামাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকার রাস্তা নদীর পানিতে নষ্ট হওয়ায় যাতায়াত ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। বন্যার্ত এলাকায় টিউবওয়েল তলিয়ে যাওয়ায় বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে। গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। দেখা দিয়েছে গোখাদ্য সংকট। উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চারটি ইউনিয়নে নদীভাঙনসহ বন্যায় আক্রান্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার রয়েছে ১৫ হাজার। এর অনুকূলে চারটি ইউনিয়নের জন্য ২৫ টন জিআর চাল বরাদ্দ করেছে জেলা প্রশাসন। এরমধ্যে গাবসারা ইউনিয়নে ৮ টন, অর্জুনা ইউনিয়নের ৬ টন, নিকরাইল ইউনিয়নে ৪ টন ও গোবিন্দাসী ইউনিয়নে ৪ টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এতে ২৫০০ পরিবারের মাঝে প্রত্যেককে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে। এরমধ্যে জরুরি হিসেবে গাবসারা ও অর্জুনা ইউনিয়নকে আরও ৩ টন চাল বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তবে বরাদ্দকৃত চাল উপজেলায় এসে পৌঁছলেও তা উত্তোলন করা হয়নি। উপজেলা নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মতিন সরকার বলেন, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তসহ বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণসহায়তা বিতরণের জন্য ৪ টন চাল বরাদ্দ পেয়েছি। চাল উত্তোলনের জন্য ডিও পাওয়া গেছে। তবে এখনও চাল উত্তোলন করা হয়নি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় ২৫ টন জিআর চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। চাল উপজেলার খাদ্য গোডাউনে মজুদ রয়েছে। চারটি ইউনিয়নে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। খুব দ্রুতই ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল বিতরণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরীন পারভীন বলেন, উপজেলার চারটি ইউনিয়নের বন্যার্তদের জন্য ২৫ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ২ টন চাল স্থানীয় সংসদ সদস্য চরাঞ্চলের বন্যার্তদের মাঝে বিতরণ করেছেন।