দেওয়ানগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদে বিলীন হচ্ছে খোলাবাড়ী সড়ক
jugantor
দেওয়ানগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদে বিলীন হচ্ছে খোলাবাড়ী সড়ক

  দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি  

০৫ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেওয়ানগঞ্জ খোলাবাড়ী সড়ক যাচ্ছে ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে। পানি কমার সঙ্গে দেখা দিয়েছে ভাঙন। ২০টি পরিবার ইতোমধ্যে গৃহহারা। জানা যায়, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চিকাজানী খোলাবাড়ী সড়ক ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে ছিল। ভাঙন ঠেকানোর কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় এখন পাকা সড়ক কাজলাপাড়া ঐতিহ্যবাহী চৌধুরীবাড়ি, গুলোঘাট ও আশপাশ এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। তিন দিনে ২০ পরিবার বাড়িঘরসহ জমির ফসল ও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীতে বিলীন হয়েছে। যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় এ পথে চলাচলকারী মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে।

শনিবার মণ্ডলবাজার ভাঙন এলাকা সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, খোলাবাড়ী পাকা সড়কটি নদীতে ভেঙে যাচ্ছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোলায়মানের সহায়তায় বাশের পাইলিং করে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। দুপুরে জামাপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাইদ। জেলা প্রশাসককে দেখে নদীভাঙা লোকজন দাবি করে বলেন, ত্রাণ চাই না, বাঁধ চাই। জেলা প্রশাসক তাদের আস্বস্ত করে বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে জানানো হয়েছে।

দেওয়ানগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদে বিলীন হচ্ছে খোলাবাড়ী সড়ক

 দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি 
০৫ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেওয়ানগঞ্জ খোলাবাড়ী সড়ক যাচ্ছে ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে। পানি কমার সঙ্গে দেখা দিয়েছে ভাঙন। ২০টি পরিবার ইতোমধ্যে গৃহহারা। জানা যায়, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চিকাজানী খোলাবাড়ী সড়ক ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে ছিল। ভাঙন ঠেকানোর কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় এখন পাকা সড়ক কাজলাপাড়া ঐতিহ্যবাহী চৌধুরীবাড়ি, গুলোঘাট ও আশপাশ এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। তিন দিনে ২০ পরিবার বাড়িঘরসহ জমির ফসল ও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীতে বিলীন হয়েছে। যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় এ পথে চলাচলকারী মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে।

শনিবার মণ্ডলবাজার ভাঙন এলাকা সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, খোলাবাড়ী পাকা সড়কটি নদীতে ভেঙে যাচ্ছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোলায়মানের সহায়তায় বাশের পাইলিং করে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। দুপুরে জামাপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাইদ। জেলা প্রশাসককে দেখে নদীভাঙা লোকজন দাবি করে বলেন, ত্রাণ চাই না, বাঁধ চাই। জেলা প্রশাসক তাদের আস্বস্ত করে বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে জানানো হয়েছে।