গোয়ালন্দে মরা পদ্মার বদ্ধকোল ফের দখলের পাঁয়তারা
jugantor
গোয়ালন্দে মরা পদ্মার বদ্ধকোল ফের দখলের পাঁয়তারা

  গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি  

১১ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গোয়ালন্দ উপজেলার মরা পদ্মা নদীর বদ্ধকোল উন্মুক্ত রাখার দাবিতে স্থানীয় জেলে ও এলাকাবাসী সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ১৫ কিলোমিটার আয়তনের বদ্ধকোলটি উন্মুক্ত থাকার পর সম্প্রতি স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল কোলটির দখল নেয়ার পাঁয়তারা করছে। স্থানীয়রা জানান, দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ক্যানেল ঘাট থেকে উজানচর ইউনিয়নের কামারডাঙ্গী পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে বিশাল আয়তনের বদ্ধকোলটি এলাকার মৎস্যভাণ্ডার হিসেবে খ্যাত। এ কোলোর মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল এলাকার শতশত জেলে পরিবার। কোলের কিছু অংশ সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত রয়েছে। ইতিপূর্বে কোলটি সরকারিভাবে লিজ দেয়া হয়। লিজ নিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা কথিত মাছ চাষের নামে কোলে রাম রাজত্ব কায়েম করে। জেলেদের মাছ ধরা, গরু-ছাগল গোসল করানো এমনকি কৃষি কাজের জন্য সাধারণ কৃষকদেরও কোলে নামা নিষিদ্ধ করে দেয়। তাদের কথা না শুনলে অনেককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে। অনেককে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটানো হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় তীব্র আন্দোলন গড়ে উঠলে রাজবাড়ী-১ আসনের এমপি কাজী কেরামত আলী ২০১৪ সালে উজানচরের নতুন ব্রিজ এলাকায় এক জনসভায় কোলটি অবমুক্ত ঘোষণা করেন। এদিকে এমপির ঘোষণার পর প্রশাসন আর লিজ না দেয়ায় দীর্ঘদিন ধরে কোলটি উন্মুক্ত অবস্থায় আছে। সেখানে মাছ ধরে ও ফসলের চাষাবাদ করে সাধারণ মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে রয়েছে। কিন্তু গত ২/৩ দিন আগে একব্যক্তি কোল এলাকায় সকল ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা এবং মাছ ধরতে চাইলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা বলে এলাকায় মাইকিং করেন। গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, লিজ অবশ্যই কোনো নিবন্ধিত মৎস্যজীবী সমিতির অনুকূলে হয়ে থাকে। কোলে মাছ ধরতে নিষেধ করার বিষয় নিয়ে এলাকার জেলেরা আমার অফিসে এসেছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

গোয়ালন্দে মরা পদ্মার বদ্ধকোল ফের দখলের পাঁয়তারা

 গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 
১১ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গোয়ালন্দ উপজেলার মরা পদ্মা নদীর বদ্ধকোল উন্মুক্ত রাখার দাবিতে স্থানীয় জেলে ও এলাকাবাসী সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ১৫ কিলোমিটার আয়তনের বদ্ধকোলটি উন্মুক্ত থাকার পর সম্প্রতি স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল কোলটির দখল নেয়ার পাঁয়তারা করছে। স্থানীয়রা জানান, দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ক্যানেল ঘাট থেকে উজানচর ইউনিয়নের কামারডাঙ্গী পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে বিশাল আয়তনের বদ্ধকোলটি এলাকার মৎস্যভাণ্ডার হিসেবে খ্যাত। এ কোলোর মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল এলাকার শতশত জেলে পরিবার। কোলের কিছু অংশ সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত রয়েছে। ইতিপূর্বে কোলটি সরকারিভাবে লিজ দেয়া হয়। লিজ নিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা কথিত মাছ চাষের নামে কোলে রাম রাজত্ব কায়েম করে। জেলেদের মাছ ধরা, গরু-ছাগল গোসল করানো এমনকি কৃষি কাজের জন্য সাধারণ কৃষকদেরও কোলে নামা নিষিদ্ধ করে দেয়। তাদের কথা না শুনলে অনেককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে। অনেককে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটানো হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় তীব্র আন্দোলন গড়ে উঠলে রাজবাড়ী-১ আসনের এমপি কাজী কেরামত আলী ২০১৪ সালে উজানচরের নতুন ব্রিজ এলাকায় এক জনসভায় কোলটি অবমুক্ত ঘোষণা করেন। এদিকে এমপির ঘোষণার পর প্রশাসন আর লিজ না দেয়ায় দীর্ঘদিন ধরে কোলটি উন্মুক্ত অবস্থায় আছে। সেখানে মাছ ধরে ও ফসলের চাষাবাদ করে সাধারণ মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে রয়েছে। কিন্তু গত ২/৩ দিন আগে একব্যক্তি কোল এলাকায় সকল ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা এবং মাছ ধরতে চাইলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা বলে এলাকায় মাইকিং করেন। গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, লিজ অবশ্যই কোনো নিবন্ধিত মৎস্যজীবী সমিতির অনুকূলে হয়ে থাকে। কোলে মাছ ধরতে নিষেধ করার বিষয় নিয়ে এলাকার জেলেরা আমার অফিসে এসেছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।