হাটহাজারীতে মসজিদে ভাংচুরের অভিযোগ
jugantor
কমিটিতে স্থান না হওয়ায়
হাটহাজারীতে মসজিদে ভাংচুরের অভিযোগ

  হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

১১ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কমিটিতে স্থান না পেয়ে মসজিদের অজু ও জেয়ারতখানা ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হাটহাজারী উপজেলার উত্তর মাদার্শা ইউনিয়নের শামীর মোহাম্মদপাড়া জামে মসজিদে। এ ঘটনায় মসজিদ কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দিন অভিযুক্ত এলাকার জালাল আহম্মদের ছেলে রোকন ও মাহাবুল আলমের ছেলে এমরানের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। জানা গেছে, অভিযুক্তদ্বয় মসজিদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হতে না পেরে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানের জায়গায় জায়গা পাবেন বলে দাবি করেন। মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসী তাদেরকে জায়গার কাগজপত্র উপস্থাপনের অনুরোধ করলেও তারা তা দেখাতে পারেননি। এর জেরে অজ্ঞাতনামা তিন-চারজনসহ অভিযুক্তরা মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানের পাশে মুসল্লিদের অজু ও জেয়ারতখানা ভাংচুর করেন। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে অভিযুক্ত রোকন বলেন, ‘অজু ও জেয়ারতখানা মসজিদ কিংবা কবরস্থানের জায়গায় নয়। সেটা আমাদের দাদার জায়গা। অভিযোগকারী জসিম জোরপূর্বক ওই জায়গায় অজু ও জেয়ারতখানা নির্মাণ করেছেন। নির্মাণের সময় জায়গার মালিকরা বাধা দিলেও তিনি প্রভাব খাটিয়ে জোর করে তা নির্মাণ করেন।’ এ ব্যাপারে ইউএনও রুহুল আমিন সাংবাদিকদের জানান, মসজিদের অজুখানা ও জেয়ারতখানা ভাংচুরের একটি অভিযোগ পেয়েছি। স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও এলাকার গণ্যমান্যদের নিয়ে এ ঘটনার সুরাহা করার চেষ্টা করছি।

কমিটিতে স্থান না হওয়ায়

হাটহাজারীতে মসজিদে ভাংচুরের অভিযোগ

 হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
১১ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কমিটিতে স্থান না পেয়ে মসজিদের অজু ও জেয়ারতখানা ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হাটহাজারী উপজেলার উত্তর মাদার্শা ইউনিয়নের শামীর মোহাম্মদপাড়া জামে মসজিদে। এ ঘটনায় মসজিদ কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দিন অভিযুক্ত এলাকার জালাল আহম্মদের ছেলে রোকন ও মাহাবুল আলমের ছেলে এমরানের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। জানা গেছে, অভিযুক্তদ্বয় মসজিদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হতে না পেরে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানের জায়গায় জায়গা পাবেন বলে দাবি করেন। মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসী তাদেরকে জায়গার কাগজপত্র উপস্থাপনের অনুরোধ করলেও তারা তা দেখাতে পারেননি। এর জেরে অজ্ঞাতনামা তিন-চারজনসহ অভিযুক্তরা মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানের পাশে মুসল্লিদের অজু ও জেয়ারতখানা ভাংচুর করেন। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে অভিযুক্ত রোকন বলেন, ‘অজু ও জেয়ারতখানা মসজিদ কিংবা কবরস্থানের জায়গায় নয়। সেটা আমাদের দাদার জায়গা। অভিযোগকারী জসিম জোরপূর্বক ওই জায়গায় অজু ও জেয়ারতখানা নির্মাণ করেছেন। নির্মাণের সময় জায়গার মালিকরা বাধা দিলেও তিনি প্রভাব খাটিয়ে জোর করে তা নির্মাণ করেন।’ এ ব্যাপারে ইউএনও রুহুল আমিন সাংবাদিকদের জানান, মসজিদের অজুখানা ও জেয়ারতখানা ভাংচুরের একটি অভিযোগ পেয়েছি। স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও এলাকার গণ্যমান্যদের নিয়ে এ ঘটনার সুরাহা করার চেষ্টা করছি।