উল্লাপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ছাত্রীর অনশন
jugantor
উল্লাপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ছাত্রীর অনশন

  উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি  

৩১ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

উল্লাপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিক রাজু আহমেদের বাড়িতে অনশন করছে এক কলেজছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের অলিদহ মধ্যপাড়া গ্রামে। রাজু ওই গ্রামের আবদুল আজীজের ছেলে। বুধবার বিকেলে ওই ছাত্রী তার প্রেমিক রাজুর বাড়িতে আসেন। রামকৃষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম হিরো জানান, অনশনরত ছাত্রী সলঙ্গা ইউনিয়নের সলঙ্গা মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের স্নাতক শ্রেণির ছাত্রী। বেশ কয়েক বছর ধরে রাজুর সঙ্গে তার সম্পর্ক চলছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত সপ্তাহে রাজু তার এক আত্মীয় বাড়িতে ওই ছাত্রীকে নিয়ে নিজের বউ পরিচয় দিয়ে সেখানে রাত কাটায়। তার সঙ্গে আলাপের সূত্র ধরে চেয়ারম্যান আরও জানান, রাজু বিয়ে করতে অসম্মতি জানালে মঙ্গলবার ওই ছাত্রী তার বাড়িতে অবস্থান নেন এবং বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত অনশনে থাকার ঘোষণা দেয়। এদিকে রাজু বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। চেয়ারম্যান হিরো জানান, তিনি উভয়পক্ষের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

উল্লাপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ছাত্রীর অনশন

 উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি 
৩১ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

উল্লাপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিক রাজু আহমেদের বাড়িতে অনশন করছে এক কলেজছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের অলিদহ মধ্যপাড়া গ্রামে। রাজু ওই গ্রামের আবদুল আজীজের ছেলে। বুধবার বিকেলে ওই ছাত্রী তার প্রেমিক রাজুর বাড়িতে আসেন। রামকৃষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম হিরো জানান, অনশনরত ছাত্রী সলঙ্গা ইউনিয়নের সলঙ্গা মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের স্নাতক শ্রেণির ছাত্রী। বেশ কয়েক বছর ধরে রাজুর সঙ্গে তার সম্পর্ক চলছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত সপ্তাহে রাজু তার এক আত্মীয় বাড়িতে ওই ছাত্রীকে নিয়ে নিজের বউ পরিচয় দিয়ে সেখানে রাত কাটায়। তার সঙ্গে আলাপের সূত্র ধরে চেয়ারম্যান আরও জানান, রাজু বিয়ে করতে অসম্মতি জানালে মঙ্গলবার ওই ছাত্রী তার বাড়িতে অবস্থান নেন এবং বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত অনশনে থাকার ঘোষণা দেয়। এদিকে রাজু বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। চেয়ারম্যান হিরো জানান, তিনি উভয়পক্ষের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।