দাউদকান্দিতে আর্থিক বিরোধ ও সমকামিতায় খুন হন এমদাদুল
jugantor
দাউদকান্দিতে আর্থিক বিরোধ ও সমকামিতায় খুন হন এমদাদুল

  দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

৩১ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দাউদকান্দিতে সমকামিতা ও আর্থিক লেনদেনজনিত কারণে খুন হন ল্যাব টেকনিশিয়ান এমদাদুল হক। বুধবার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান। তিনি জানান, ২৬ জুন দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারে অবস্থিত একটি বেসরকারি হাসপাতালের ল্যাব টেকনিশিয়ান এমদাদুল হকের লাশ একটি মাছের প্রজেক্টের পাশে পরে থাকতে দেখে স্থানীরা পুলিশকে খবর দেয়। এ ঘটনায় তদন্তে নামে পিবিআই। তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (নি.) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, পিবিআই হেড কোয়ার্টার্স, ঢাকার এলআইসির সহযোগিতায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ২৬ জুলাই সন্দেহভাজন শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার গুলমাইজ গ্রামের আবুল হোসেন মীরের ছেলে মো. ইমরানকে ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেফতার করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। পরে তার দেয়া তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি লোহার বাঁট ও ১৩ ইঞ্চি লম্বা একটি ছোরা উদ্ধার করা হয়। নিহত এমদাদুল হক মিঠু মুরাদনগর উপজেলার হাড়পাকনা গ্রামের আবুল হোসেন সরকারের ছেলে।

দাউদকান্দিতে আর্থিক বিরোধ ও সমকামিতায় খুন হন এমদাদুল

 দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
৩১ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দাউদকান্দিতে সমকামিতা ও আর্থিক লেনদেনজনিত কারণে খুন হন ল্যাব টেকনিশিয়ান এমদাদুল হক। বুধবার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান। তিনি জানান, ২৬ জুন দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারে অবস্থিত একটি বেসরকারি হাসপাতালের ল্যাব টেকনিশিয়ান এমদাদুল হকের লাশ একটি মাছের প্রজেক্টের পাশে পরে থাকতে দেখে স্থানীরা পুলিশকে খবর দেয়। এ ঘটনায় তদন্তে নামে পিবিআই। তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (নি.) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, পিবিআই হেড কোয়ার্টার্স, ঢাকার এলআইসির সহযোগিতায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ২৬ জুলাই সন্দেহভাজন শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার গুলমাইজ গ্রামের আবুল হোসেন মীরের ছেলে মো. ইমরানকে ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেফতার করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। পরে তার দেয়া তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি লোহার বাঁট ও ১৩ ইঞ্চি লম্বা একটি ছোরা উদ্ধার করা হয়। নিহত এমদাদুল হক মিঠু মুরাদনগর উপজেলার হাড়পাকনা গ্রামের আবুল হোসেন সরকারের ছেলে।