কোটালীপাড়ায় ব্যবসায়ীর বিষপান চাটমোহরে যুবকের আত্মহত্যা
jugantor
সুদের টাকার চাপ
কোটালীপাড়ায় ব্যবসায়ীর বিষপান চাটমোহরে যুবকের আত্মহত্যা

  চাটমোহর (পাবনা) ও কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৭ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাবনার চাটমোহরে সুদের টাকার চাপে ও পারিবারিক কলহের কারণে কীটনাশক পান করে নাজমুল হোসেন নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার বিকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নাজমুল কাটেঙ্গা নদীপাড়া গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে। গার্মেন্টকর্মী নাজমুল করোনার কারণে ঢাকা থেকে চাকরি ছেড়ে বাড়িতে চলে আসতে বাধ্য হন। এরপর সংসারে অভাব দেখা দেয়ায় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে সুদে টাকা ধার নেন। কিন্তু কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ওই ব্যক্তিরা বৃহস্পতিবার নাজমুলের বাড়িতে গিয়ে টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। পরে তিনি ঘরে থাকা কীটনাশক পান করেন।

এদিকে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় সুদখোরের চাপে পতিত বৈদ্য (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ী বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। তিনি কোটালীপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বুধবার উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের আটাশিবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি বকুল বৈদ্যের ছেলে। মার্চ মাসের শুরুর দিকে পতিত আটাশিবাড়ি গ্রামের জাহিদ মোল্লার কাছ থেকে ১ লাখ ১২ হাজার টাকা সুদে আনেন। বিনিময়ে প্রতি সপ্তাহে তাকে ৯ হাজার টাকা করে সুদ দিতে হয়। করোনার কারণে ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ১১ সপ্তাহ সুদ দেয়ার পর আর দিতে পারেননি পতিত। মঙ্গলবার জাহিদ মোল্লা স্থানীয় বাজারে বসে পতিতকে গালমন্দ করেন। পরের দিন পতিত বৈদ্য বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

সুদের টাকার চাপ

কোটালীপাড়ায় ব্যবসায়ীর বিষপান চাটমোহরে যুবকের আত্মহত্যা

 চাটমোহর (পাবনা) ও কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৭ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাবনার চাটমোহরে সুদের টাকার চাপে ও পারিবারিক কলহের কারণে কীটনাশক পান করে নাজমুল হোসেন নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার বিকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নাজমুল কাটেঙ্গা নদীপাড়া গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে। গার্মেন্টকর্মী নাজমুল করোনার কারণে ঢাকা থেকে চাকরি ছেড়ে বাড়িতে চলে আসতে বাধ্য হন। এরপর সংসারে অভাব দেখা দেয়ায় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে সুদে টাকা ধার নেন। কিন্তু কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ওই ব্যক্তিরা বৃহস্পতিবার নাজমুলের বাড়িতে গিয়ে টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। পরে তিনি ঘরে থাকা কীটনাশক পান করেন।

এদিকে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় সুদখোরের চাপে পতিত বৈদ্য (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ী বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। তিনি কোটালীপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বুধবার উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের আটাশিবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি বকুল বৈদ্যের ছেলে। মার্চ মাসের শুরুর দিকে পতিত আটাশিবাড়ি গ্রামের জাহিদ মোল্লার কাছ থেকে ১ লাখ ১২ হাজার টাকা সুদে আনেন। বিনিময়ে প্রতি সপ্তাহে তাকে ৯ হাজার টাকা করে সুদ দিতে হয়। করোনার কারণে ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ১১ সপ্তাহ সুদ দেয়ার পর আর দিতে পারেননি পতিত। মঙ্গলবার জাহিদ মোল্লা স্থানীয় বাজারে বসে পতিতকে গালমন্দ করেন। পরের দিন পতিত বৈদ্য বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।