বানিয়াচং ও আগৈলঝাড়ায় হামলা-সংঘর্ষে আহত ১৭
jugantor
বানিয়াচং ও আগৈলঝাড়ায় হামলা-সংঘর্ষে আহত ১৭

  হবিগঞ্জ ও আগৈলঝাড়া প্রতিনিধি  

১০ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে খালে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার শেখের মহল্লা ও শরীফখানী মহল্লার মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও পঞ্চায়েত সরদারদের হস্তক্ষেপে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে। এ সময় দু’পক্ষের তিন-চারটি ঘর ভাংচুর করা হয়। এলাকাবাসী জানান, শেখের মহল্লার উস্তার উল্লার ছেলে আল-আমিন শরীফখানী এলাকার সুনারু খালের সড়ক সংলগ্ন স্থানে জাল ফেলে মাছ ধরতে যান। এ সময় শরীফখানী মহল্লার মনু উল্লাহর ছেলে মুতি মিয়া সড়কের পাশে জাল ফেলতে তাকে বাধা দেন। তখন আল-আমিন তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করলে মুতি মিয়া তার জাল আটক করেন। এ খবর পেয়ে আল-আমিনের স্বজনরা বাড়িতে এসে মুতি মিয়াকে মারধর করতে থাকেন। এর জের ধরে উভয় এলাকার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে আহত সিরাজুল ইসলাম, ছমেদ মিয়া, কেনু মিয়া ও রইছ উল্লাহকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এদিকে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় হামলা-সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত হয়েছেন সাতজন। আহত তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে, উপজেলার সীমান্তবর্র্তী মাগুরা গ্রামে মানিক হাওলাদারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছে একই এলাকার সুশীল ঘরামীর। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ চলে আসছে। ওই জায়গার মালিকানা দাবি করে সুশীল রোববার সকালে গাছ লাগাতে গেলে প্রতিপক্ষ মানিক হাওলার বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষে বাধে। এতে উভয় পক্ষের মানিক হাওলাদার, সুশীল ঘরামী, মতিলাল, সুমন ঘরামী, আসমা আক্তারসহ সাতজন আহত হন।

বানিয়াচং ও আগৈলঝাড়ায় হামলা-সংঘর্ষে আহত ১৭

 হবিগঞ্জ ও আগৈলঝাড়া প্রতিনিধি 
১০ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে খালে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার শেখের মহল্লা ও শরীফখানী মহল্লার মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও পঞ্চায়েত সরদারদের হস্তক্ষেপে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে। এ সময় দু’পক্ষের তিন-চারটি ঘর ভাংচুর করা হয়। এলাকাবাসী জানান, শেখের মহল্লার উস্তার উল্লার ছেলে আল-আমিন শরীফখানী এলাকার সুনারু খালের সড়ক সংলগ্ন স্থানে জাল ফেলে মাছ ধরতে যান। এ সময় শরীফখানী মহল্লার মনু উল্লাহর ছেলে মুতি মিয়া সড়কের পাশে জাল ফেলতে তাকে বাধা দেন। তখন আল-আমিন তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করলে মুতি মিয়া তার জাল আটক করেন। এ খবর পেয়ে আল-আমিনের স্বজনরা বাড়িতে এসে মুতি মিয়াকে মারধর করতে থাকেন। এর জের ধরে উভয় এলাকার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে আহত সিরাজুল ইসলাম, ছমেদ মিয়া, কেনু মিয়া ও রইছ উল্লাহকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এদিকে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় হামলা-সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত হয়েছেন সাতজন। আহত তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে, উপজেলার সীমান্তবর্র্তী মাগুরা গ্রামে মানিক হাওলাদারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছে একই এলাকার সুশীল ঘরামীর। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ চলে আসছে। ওই জায়গার মালিকানা দাবি করে সুশীল রোববার সকালে গাছ লাগাতে গেলে প্রতিপক্ষ মানিক হাওলার বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষে বাধে। এতে উভয় পক্ষের মানিক হাওলাদার, সুশীল ঘরামী, মতিলাল, সুমন ঘরামী, আসমা আক্তারসহ সাতজন আহত হন।