১০ কিলোমিটারে ভোগান্তি
jugantor
১০ কিলোমিটারে ভোগান্তি
লক্ষ্মীপুর-ভোলা মহাসড়ক

  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  

১২ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

১০ কিলোমিটারে ভোগান্তি
ফাইল ছবি

লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল জাতীয় মহাসড়কের ১০ কিলোমিটারজুড়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বেহাল এ রাস্তায় প্রতিনিয়তই যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে গর্তগুলো কাদার পুকুরে পরিণত হয়।

এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় ভোলা-বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীদের। লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল জাতীয় মহাসড়কটি স্থানীয়ভাবে মজুচৌধুরীরহাট সড়ক হিসেবে পরিচিত।

লক্ষ্মীপুর শহর থেকে মজুচৌধুরীরহাট লঞ্চঘাট পর্যন্ত এ সড়কটির দূরত্ব ১০ কিলোমিটার। মেঘনা নদী হয়ে এ সড়ক দিয়ে ভোলা-বরিশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার সহজ যোগযোগ মাধ্যম।

এছাড়া মজুচৌধুরীরহাট এলাকায় কয়েকটি বালু মহাল রয়েছে। যে কারণে এটি জেলার ব্যস্ততম সড়ক। গত কয়েক বছর ধরে সড়কটিতে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়। এখন পুরো সড়কজুড়েই বড় বড় গর্ত রয়েছে।

৪ মাস ধরে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে এ পথে চলাচলকারী যানবাহন ও যাত্রীদের। এদিকে অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটুসমান পানি জমে গিয়ে গর্তগুলো কাদার পুকুরে পরিণত হয়। এতে গর্তগুলোর মধ্যে যানবাহন আটকে দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। গাড়ির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে মাঝ সড়কে। অন্যদিকে ২১ জেলার অভ্যন্তরীণ সংযোগ, মজুচৌধুরীরহাটে লঞ্চঘাট-ফেরিঘাট ও বালু মহাল থাকায় এ সড়কে প্রতিদিন চলাচল করে শত শত মালবাহী গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন। সড়কের বেহালদশার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চাষী ও ব্যবসায়ীরা। সড়কের বেহালদশার কথা স্বীকার করে লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক জানান, ১৮ ফিট সড়ক অচিরেই ৩৬ ফিট হবে। সড়কটি সংস্কারে একশ’ কোটি টাকার টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, ওয়ার্ক অর্ডার অপেক্ষায় আছে। আশা করি, সড়ক সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।

১০ কিলোমিটারে ভোগান্তি

লক্ষ্মীপুর-ভোলা মহাসড়ক
 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি 
১২ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
১০ কিলোমিটারে ভোগান্তি
ফাইল ছবি

লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল জাতীয় মহাসড়কের ১০ কিলোমিটারজুড়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বেহাল এ রাস্তায় প্রতিনিয়তই যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে গর্তগুলো কাদার পুকুরে পরিণত হয়।

এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় ভোলা-বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীদের। লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল জাতীয় মহাসড়কটি স্থানীয়ভাবে মজুচৌধুরীরহাট সড়ক হিসেবে পরিচিত।

লক্ষ্মীপুর শহর থেকে মজুচৌধুরীরহাট লঞ্চঘাট পর্যন্ত এ সড়কটির দূরত্ব ১০ কিলোমিটার। মেঘনা নদী হয়ে এ সড়ক দিয়ে ভোলা-বরিশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার সহজ যোগযোগ মাধ্যম।

এছাড়া মজুচৌধুরীরহাট এলাকায় কয়েকটি বালু মহাল রয়েছে। যে কারণে এটি জেলার ব্যস্ততম সড়ক। গত কয়েক বছর ধরে সড়কটিতে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়। এখন পুরো সড়কজুড়েই বড় বড় গর্ত রয়েছে।

৪ মাস ধরে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে এ পথে চলাচলকারী যানবাহন ও যাত্রীদের। এদিকে অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটুসমান পানি জমে গিয়ে গর্তগুলো কাদার পুকুরে পরিণত হয়। এতে গর্তগুলোর মধ্যে যানবাহন আটকে দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। গাড়ির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে মাঝ সড়কে। অন্যদিকে ২১ জেলার অভ্যন্তরীণ সংযোগ, মজুচৌধুরীরহাটে লঞ্চঘাট-ফেরিঘাট ও বালু মহাল থাকায় এ সড়কে প্রতিদিন চলাচল করে শত শত মালবাহী গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন। সড়কের বেহালদশার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চাষী ও ব্যবসায়ীরা। সড়কের বেহালদশার কথা স্বীকার করে লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক জানান, ১৮ ফিট সড়ক অচিরেই ৩৬ ফিট হবে। সড়কটি সংস্কারে একশ’ কোটি টাকার টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, ওয়ার্ক অর্ডার অপেক্ষায় আছে। আশা করি, সড়ক সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।