বরগুনায় জোয়ারে ডুবে থাকে ফেরিঘাট জনভোগান্তি
jugantor
বরগুনায় জোয়ারে ডুবে থাকে ফেরিঘাট জনভোগান্তি

  বরগুনা প্রতিনিধি  

১২ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরগুনার বিষখালী নদীতে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলে বড়ইতলা-বাইনচটকী ফেরিঘাটে ভোগান্তিতে পড়েন বাস, ট্রাকসহ যাত্রীরা। এ জেলার বিষখালী নদীর পূর্বপারে রয়েছে বরগুনার বড়ইতলা ফেরিঘাট এবং পশ্চিম পারে রয়েছে বাইনচটকী ফেরিঘাট। বরগুনা জেলা শহর থেকে পশ্চিম পারে পাথরঘাটা, বামনা, মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর, খুলনা, রাজশাহীসহ অন্যান্য সব উপজেলা ও জেলার সাথে যোগাযোগের প্রধান মহাসড়কের নদী পারাপারের স্থান বাইনচটকী-বড়ইতলা ফেরিঘাট। এই ফেরিঘাট দিয়ে অসংখ্য বাস, মিনিবাস, ট্রাকসহ ও যাত্রী পারাপার হয়। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানি বৃদ্ধি পেলে বড়ইতলা-বাইনচটকী ফেরিঘাট মানুষ ও গাড়ি চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ভাটার অপেক্ষা করতে হয় গাড়ি পারাপারের জন্য। সরেজমিন গেলে দেখা যায় জোয়ারের অতিরিক্ত পানি হওয়ায় দুই পারেই গাড়ি অপেক্ষমাণ। ফেরি থেকে সব ধরনের গাড়ি ওঠা-নামার সময় গাড়ির ইঞ্জিন পানিতে ডুবে যায়। ভুক্তভোগী এইচএম শাকিল আহম্মদ যুগান্তরকে জানান, জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলে পন্টুন থেকে রাস্তায় ওঠার সংযোগস্থল প্রায় ৩ ফুট পানিতে তলিয়ে থাকে। তাই মাঝে মধ্যে এখান থেকেই বাড়িতে ফিরে যেতে হয়। সদরের ৭নং ঢলুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল টিটু জনস্বার্থে দ্রুত সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন। একই কথা জানালেন পশ্চিম পারের (বাইনচটকী এলাকাসংলগ্ন) কাকচিড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন পল্টু।

বরগুনায় জোয়ারে ডুবে থাকে ফেরিঘাট জনভোগান্তি

 বরগুনা প্রতিনিধি 
১২ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরগুনার বিষখালী নদীতে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলে বড়ইতলা-বাইনচটকী ফেরিঘাটে ভোগান্তিতে পড়েন বাস, ট্রাকসহ যাত্রীরা। এ জেলার বিষখালী নদীর পূর্বপারে রয়েছে বরগুনার বড়ইতলা ফেরিঘাট এবং পশ্চিম পারে রয়েছে বাইনচটকী ফেরিঘাট। বরগুনা জেলা শহর থেকে পশ্চিম পারে পাথরঘাটা, বামনা, মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর, খুলনা, রাজশাহীসহ অন্যান্য সব উপজেলা ও জেলার সাথে যোগাযোগের প্রধান মহাসড়কের নদী পারাপারের স্থান বাইনচটকী-বড়ইতলা ফেরিঘাট। এই ফেরিঘাট দিয়ে অসংখ্য বাস, মিনিবাস, ট্রাকসহ ও যাত্রী পারাপার হয়। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানি বৃদ্ধি পেলে বড়ইতলা-বাইনচটকী ফেরিঘাট মানুষ ও গাড়ি চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ভাটার অপেক্ষা করতে হয় গাড়ি পারাপারের জন্য। সরেজমিন গেলে দেখা যায় জোয়ারের অতিরিক্ত পানি হওয়ায় দুই পারেই গাড়ি অপেক্ষমাণ। ফেরি থেকে সব ধরনের গাড়ি ওঠা-নামার সময় গাড়ির ইঞ্জিন পানিতে ডুবে যায়। ভুক্তভোগী এইচএম শাকিল আহম্মদ যুগান্তরকে জানান, জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলে পন্টুন থেকে রাস্তায় ওঠার সংযোগস্থল প্রায় ৩ ফুট পানিতে তলিয়ে থাকে। তাই মাঝে মধ্যে এখান থেকেই বাড়িতে ফিরে যেতে হয়। সদরের ৭নং ঢলুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল টিটু জনস্বার্থে দ্রুত সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন। একই কথা জানালেন পশ্চিম পারের (বাইনচটকী এলাকাসংলগ্ন) কাকচিড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন পল্টু।