রাজৈর ও ভাঙ্গায় সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক
jugantor
রাজৈর ও ভাঙ্গায় সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

  টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

১৫ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দুই কিশোরের মধ্যে কটূক্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদারীপুরের রাজৈর ও ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার দুই ইউনিয়নবাসীর মধ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ৫ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়। এ সময় দোকান ও বসতঘরসহ ৫টি ঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

আহতদের স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাজৈর ও ভাঙ্গা দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী ঘারুয়া ইউনিয়নের রাজেশ্বরদী ও পাইকপাড়ার বৈরাগীর বাজার এলাকার দুই কিশোরের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দুই ইউনিয়নের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে রাজেশ্বরদী এলাকার দেলোয়ার হাওলাদার ও সাদেক হাওলাদারের একটি দোকান, দুটি বসতঘর ও দুটি রান্নাঘরে অগ্নিসংযোগ করা হলে ৫টি ঘর ভস্মীভূত হয়। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়। আহতদের মধ্যে নওসাদ, রহিমা বেগম, মেরে বেগম, মফিজুর, কামাল, আফজাল, আলকাজ, রাকিবুল, আলী, আউয়ালকে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিয়েছে ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সফিউদ্দিন মোল্লা ও রাজৈর পাইকপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহাদাত হোসেন। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাজৈর থানার ওসি শেখ সাদী জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।

রাজৈর ও ভাঙ্গায় সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

 টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
১৫ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দুই কিশোরের মধ্যে কটূক্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদারীপুরের রাজৈর ও ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার দুই ইউনিয়নবাসীর মধ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ৫ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়। এ সময় দোকান ও বসতঘরসহ ৫টি ঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

আহতদের স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাজৈর ও ভাঙ্গা দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী ঘারুয়া ইউনিয়নের রাজেশ্বরদী ও পাইকপাড়ার বৈরাগীর বাজার এলাকার দুই কিশোরের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দুই ইউনিয়নের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে রাজেশ্বরদী এলাকার দেলোয়ার হাওলাদার ও সাদেক হাওলাদারের একটি দোকান, দুটি বসতঘর ও দুটি রান্নাঘরে অগ্নিসংযোগ করা হলে ৫টি ঘর ভস্মীভূত হয়। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়। আহতদের মধ্যে নওসাদ, রহিমা বেগম, মেরে বেগম, মফিজুর, কামাল, আফজাল, আলকাজ, রাকিবুল, আলী, আউয়ালকে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিয়েছে ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সফিউদ্দিন মোল্লা ও রাজৈর পাইকপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহাদাত হোসেন। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাজৈর থানার ওসি শেখ সাদী জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।