মাঠে সরব আ’লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা, নীরবে বিএনপি
jugantor
পৌরসভা নির্বাচন: গৌরীপুর
মাঠে সরব আ’লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা, নীরবে বিএনপি

  মো. রইছ উদ্দিন, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)  

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাঠে সরব আ’লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা, নীরবে বিএনপি

করোনাভাইরাস মহামারীতে পৌরবাসীর পাশে থাকা, সালিশ-দরবার, বিয়েসহ সামাজিক অনুষ্ঠানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের উপস্থিতিই জানান দিচ্ছে পৌর নির্বাচন সমাগত। চায়ের আড্ডা আর রাজনীতির মাঠে আওয়ামী প্রার্থীদের চলছে সরগরম প্রচার।

ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার সম্ভাব্য প্রার্থীরা ছুটছেন দলীয় হাইকমান্ড আর তৃণমূল নেতাকর্মীদের মন জয়ে। ভোটারদের সমর্থন আদায়ে দরজায় কড়া নাড়ছেন।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঠে সরব। তবে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা রয়েছেন নীরবে। প্রচারেও নিচ্ছেন ভিন্ন কৌশল! বিগত গৌরীপুর পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর।

প্রথম সভা করেন ২০১৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। আওয়ামী লীগ প্রার্থী সৈয়দ রফিকুল ইসলাম নৌকা প্রতীক নিয়ে দ্বিতীয়বার মেয়র পদে বিজয়ী হন। তিনি পান ৭ হাজার ১৩৩ ভোট।

দলের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম হবি (নারিকেল গাছ) প্রতীকে পান ৪ হাজার ১৫০ ভোট।

অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সুজিত কুমার দাস ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পান ২ হাজার ৭২৬ ভোট। ওই নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ১৮ হাজার ৮৬ জন। ৯টি ওয়ার্ড ভিত্তিক ভোট কেন্দ্রে মোট ১৪ হাজার ১৬০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার সজল চন্দ্র সরকার জানান, এবার ভোটার সংখ্যা ২২ হাজার ৫০৪ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১১ হাজার ২১৮ জন ও মহিলা ভোটার ১১ হাজার ২৮৬ জন। তিনি আরও জানান, ভোটারদের এলাকা পরিবর্তনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাই এ সংখ্যা আরও বাড়তে বা কমতে পারে।

গৌরীপুর পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী প্রচার-প্রচারণা, চায়ের আড্ডা ও সাধারণ ভোটাদের মাঝে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গৌরীপুর পৌর শাখার সভাপতি ও বর্তমান মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাবেক মেয়র মো. শফিকুল ইসলাম হবি, উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, গৌরীপুর পৌরসভার বর্তমান কাউন্সিলর মো. আবদুল কাদির, গৌরীপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও গৌরীপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবু কাউছার চৌধুরী রন্টি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বিআরডিবির চেয়ারম্যান মাসুদূর রহমান শুভ্র। অপরদিকে বিএনপির প্রার্থীরা প্রচারণায় ভিন্ন কৌশলে হাঁটছেন।

সামাজিক অনুষ্ঠান আর ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের কাছে প্রিয় হওয়ার প্রয়াস চলছে। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সম্ভাব্যপ্রার্থীর তালিকায় রয়েছে উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক সুজিত কুমার দাস, গৌরীপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বেগ ফারুক আহাম্মেদ, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর আনিছ।

নির্বাচনের দিনক্ষণ এগিয়ে আসার সঙ্গে বাড়তে পারে প্রার্থীর তালিকাও। আওয়ামী লীগের একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী জাতীয় শোক দিবস ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে প্রার্থিতা জানান দিচ্ছেন। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডেও কাউন্সিলর পদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নানা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ভোটারদের কাছে টানার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

পৌরসভা নির্বাচন: গৌরীপুর

মাঠে সরব আ’লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা, নীরবে বিএনপি

 মো. রইছ উদ্দিন, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) 
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
মাঠে সরব আ’লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা, নীরবে বিএনপি
ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস মহামারীতে পৌরবাসীর পাশে থাকা, সালিশ-দরবার, বিয়েসহ সামাজিক অনুষ্ঠানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের উপস্থিতিই জানান দিচ্ছে পৌর নির্বাচন সমাগত। চায়ের আড্ডা আর রাজনীতির মাঠে আওয়ামী প্রার্থীদের চলছে সরগরম প্রচার।

ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার সম্ভাব্য প্রার্থীরা ছুটছেন দলীয় হাইকমান্ড আর তৃণমূল নেতাকর্মীদের মন জয়ে। ভোটারদের সমর্থন আদায়ে দরজায় কড়া নাড়ছেন।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঠে সরব। তবে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা রয়েছেন নীরবে। প্রচারেও নিচ্ছেন ভিন্ন কৌশল! বিগত গৌরীপুর পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর।

প্রথম সভা করেন ২০১৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। আওয়ামী লীগ প্রার্থী সৈয়দ রফিকুল ইসলাম নৌকা প্রতীক নিয়ে দ্বিতীয়বার মেয়র পদে বিজয়ী হন। তিনি পান ৭ হাজার ১৩৩ ভোট।

দলের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম হবি (নারিকেল গাছ) প্রতীকে পান ৪ হাজার ১৫০ ভোট।

অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সুজিত কুমার দাস ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পান ২ হাজার ৭২৬ ভোট। ওই নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ১৮ হাজার ৮৬ জন। ৯টি ওয়ার্ড ভিত্তিক ভোট কেন্দ্রে মোট ১৪ হাজার ১৬০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার সজল চন্দ্র সরকার জানান, এবার ভোটার সংখ্যা ২২ হাজার ৫০৪ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১১ হাজার ২১৮ জন ও মহিলা ভোটার ১১ হাজার ২৮৬ জন। তিনি আরও জানান, ভোটারদের এলাকা পরিবর্তনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাই এ সংখ্যা আরও বাড়তে বা কমতে পারে।

গৌরীপুর পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী প্রচার-প্রচারণা, চায়ের আড্ডা ও সাধারণ ভোটাদের মাঝে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গৌরীপুর পৌর শাখার সভাপতি ও বর্তমান মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাবেক মেয়র মো. শফিকুল ইসলাম হবি, উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, গৌরীপুর পৌরসভার বর্তমান কাউন্সিলর মো. আবদুল কাদির, গৌরীপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও গৌরীপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবু কাউছার চৌধুরী রন্টি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বিআরডিবির চেয়ারম্যান মাসুদূর রহমান শুভ্র। অপরদিকে বিএনপির প্রার্থীরা প্রচারণায় ভিন্ন কৌশলে হাঁটছেন।

সামাজিক অনুষ্ঠান আর ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের কাছে প্রিয় হওয়ার প্রয়াস চলছে। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সম্ভাব্যপ্রার্থীর তালিকায় রয়েছে উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক সুজিত কুমার দাস, গৌরীপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বেগ ফারুক আহাম্মেদ, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর আনিছ।

নির্বাচনের দিনক্ষণ এগিয়ে আসার সঙ্গে বাড়তে পারে প্রার্থীর তালিকাও। আওয়ামী লীগের একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী জাতীয় শোক দিবস ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে প্রার্থিতা জানান দিচ্ছেন। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডেও কাউন্সিলর পদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নানা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ভোটারদের কাছে টানার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।