চাঁদপুরে চাঁদা দাবির মামলায় কাউন্সিলর প্রার্থী জেলে
jugantor
চাঁদপুরে চাঁদা দাবির মামলায় কাউন্সিলর প্রার্থী জেলে

  চাঁদপুর প্রতিনিধি  

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চাঁদাবাজ আলমগীর হোসেন বাবু

চাঁদপুরে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে আলমগীর হোসেন বাবু নামে আসন্ন চাঁদপুর পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শহরের ষোলঘর এলাকার বাসিন্দা

এক গৃহবধূর দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলায় ২ সেপ্টেম্বর জামিন নিতে আদালতে হাজির হন আলমগীর। জামিন নামঞ্জুর করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিউল আযম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চাঁদপুর মডেল থানার এসআই বিপ্লব চন্দ্র নাহ-এর তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চাঁদপুর রেলওয়ে হকার্স মার্কেটের একটি দোকান ভাড়া নিয়ে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করতেন না আলমগীর। যে কারণে চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে আলমগীরকে দোকান ছেড়ে দিতে বলেন মালিক।

কিন্তু মেয়াদ শেষের পরেও আলমগীর দোকানের দখল না ছাড়তে নানা টালবাহানা করেন। এক পর্যায়ে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও আলমগীর দোকান ছেড়ে না দিয়ে ফের প্রভাব খাটান শুরু করেন। এমন পরিস্থিতিতে মার্কেট কমিটির কর্মকর্তারা দোকানে তালা লাগিয়ে দেন।

দোকান হাতছাড়া হওয়ার পর মার্কেট কমিটি ও দোকান মালিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে মালিককে দোকান দখলে বাধা দেন আলমগীর।

চাঁদপুরে চাঁদা দাবির মামলায় কাউন্সিলর প্রার্থী জেলে

 চাঁদপুর প্রতিনিধি 
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
চাঁদাবাজ আলমগীর হোসেন বাবু
চাঁদাবাজ আলমগীর হোসেন বাবু

চাঁদপুরে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে আলমগীর হোসেন বাবু নামে আসন্ন চাঁদপুর পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শহরের ষোলঘর এলাকার বাসিন্দা

এক গৃহবধূর দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলায় ২ সেপ্টেম্বর জামিন নিতে আদালতে হাজির হন আলমগীর। জামিন নামঞ্জুর করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিউল আযম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চাঁদপুর মডেল থানার এসআই বিপ্লব চন্দ্র নাহ-এর তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চাঁদপুর রেলওয়ে হকার্স মার্কেটের একটি দোকান ভাড়া নিয়ে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করতেন না আলমগীর। যে কারণে চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে আলমগীরকে দোকান ছেড়ে দিতে বলেন মালিক।

কিন্তু মেয়াদ শেষের পরেও আলমগীর দোকানের দখল না ছাড়তে নানা টালবাহানা করেন। এক পর্যায়ে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও আলমগীর দোকান ছেড়ে না দিয়ে ফের প্রভাব খাটান শুরু করেন। এমন পরিস্থিতিতে মার্কেট কমিটির কর্মকর্তারা দোকানে তালা লাগিয়ে দেন।

দোকান হাতছাড়া হওয়ার পর মার্কেট কমিটি ও দোকান মালিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে মালিককে দোকান দখলে বাধা দেন আলমগীর।