পাবনায় অরক্ষিত রেললাইন
jugantor
পাবনায় অরক্ষিত রেললাইন
২৪ ঘণ্টায় ট্রেনে কাটা পড়ে দু’জন নিহত

  পাবনা প্রতিনিধি  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাবনায় রেললাইন অরক্ষিত থাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পাবনার বেড়া উপজেলার নান্দিয়ারা ও সদর উপজেলার টেবুনিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে দু’জন নিহত হয়েছেন। শনিবার সকালে বেড়া উপজেলার নান্দিয়ারা রেলগেটে এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় গোলেজান বেগম নামে এক বৃদ্ধা নিহত হন। তিনি উপজেলার আমিনপুর থানার জাতসাকিন ইউনিয়নের নান্দিয়ারা গ্রামের মোসলেম সরদারের স্ত্রী। এর আগে বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার টেবুনিয়া রেলওয়ে স্টেশনের কাছে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হন রাসেল হোসেন নামে এক যুবক। নিহত রাসেল পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের ধরবিলা গ্রামের তসলিম উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে। এদিকে গত এক বছরে পাবনায় ট্রেনে কাটা পড়ে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক রঞ্জন বিশ্বাস জানান, শনিবার সকালে নান্দিয়ারা এলাকায় রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটছিল গোলেজান বেগম। এ সময় পাবনার ঢালার চর থেকে রাজশাহীগামী ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি বেড়া উপজেলার নান্দিয়ারা রেলগেট এলাকা অতিক্রম করার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই গোলেজান নিহত হন। খবর পেয়ে রেলওয়ে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এর আগে বৃহস্পতিবার পাবনা সদর উপজেলার টেবুনিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে দ্বিখণ্ডিত হয়ে রাসেল হোসেন নামে এক যুবক মারা যান। তিনি মাত্র ১৫ দিন আগে বিয়ে করেছিলেন। তার শ্বশুরবাড়ি পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৯টার দিকে টেবুনিয়া রেলস্টেশনের কাছে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটছিলেন রাসেল। এক সময় তিনি রেললাইনে উঠে পড়েন। এরই মধ্যে পাবনার ঢালারচর থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহী অভিমুখী ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ ট্রেন চলে আসে। অন্যমনস্ক থাকায় তিনি ট্রেনের হুইসেল খেয়াল করেননি। ফলে তিনি ট্রেনের নিচে পড়েন। এতে তার দেহ দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। এদিকে গত এক বছরে পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ঈশ্বরদী এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে অন্ত ২০ জন নিহত হয়েছেন। মূলত রেলগেট অরক্ষিত থাকায় এবং রেললাইনে কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে পশ্চিম রেলের পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার প্রকৌশলী শাহিদুল ইসলাম বলেন, রেলগেটে সার্বক্ষণিক গেটম্যান থাকেন। তাদের কোনো অবহেলায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে না। পাবলিক নিজেরাই বিভিন্ন স্থানে গেট বানিয়ে চলাচলের রাস্তা বের করেন। এসব স্থানে ঘটনা ঘটছে। তারপরও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।

পাবনায় অরক্ষিত রেললাইন

২৪ ঘণ্টায় ট্রেনে কাটা পড়ে দু’জন নিহত
 পাবনা প্রতিনিধি 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাবনায় রেললাইন অরক্ষিত থাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পাবনার বেড়া উপজেলার নান্দিয়ারা ও সদর উপজেলার টেবুনিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে দু’জন নিহত হয়েছেন। শনিবার সকালে বেড়া উপজেলার নান্দিয়ারা রেলগেটে এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় গোলেজান বেগম নামে এক বৃদ্ধা নিহত হন। তিনি উপজেলার আমিনপুর থানার জাতসাকিন ইউনিয়নের নান্দিয়ারা গ্রামের মোসলেম সরদারের স্ত্রী। এর আগে বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার টেবুনিয়া রেলওয়ে স্টেশনের কাছে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হন রাসেল হোসেন নামে এক যুবক। নিহত রাসেল পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের ধরবিলা গ্রামের তসলিম উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে। এদিকে গত এক বছরে পাবনায় ট্রেনে কাটা পড়ে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক রঞ্জন বিশ্বাস জানান, শনিবার সকালে নান্দিয়ারা এলাকায় রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটছিল গোলেজান বেগম। এ সময় পাবনার ঢালার চর থেকে রাজশাহীগামী ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি বেড়া উপজেলার নান্দিয়ারা রেলগেট এলাকা অতিক্রম করার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই গোলেজান নিহত হন। খবর পেয়ে রেলওয়ে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এর আগে বৃহস্পতিবার পাবনা সদর উপজেলার টেবুনিয়ায় ট্রেনের নিচে পড়ে দ্বিখণ্ডিত হয়ে রাসেল হোসেন নামে এক যুবক মারা যান। তিনি মাত্র ১৫ দিন আগে বিয়ে করেছিলেন। তার শ্বশুরবাড়ি পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৯টার দিকে টেবুনিয়া রেলস্টেশনের কাছে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটছিলেন রাসেল। এক সময় তিনি রেললাইনে উঠে পড়েন। এরই মধ্যে পাবনার ঢালারচর থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহী অভিমুখী ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ ট্রেন চলে আসে। অন্যমনস্ক থাকায় তিনি ট্রেনের হুইসেল খেয়াল করেননি। ফলে তিনি ট্রেনের নিচে পড়েন। এতে তার দেহ দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। এদিকে গত এক বছরে পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ঈশ্বরদী এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে অন্ত ২০ জন নিহত হয়েছেন। মূলত রেলগেট অরক্ষিত থাকায় এবং রেললাইনে কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে পশ্চিম রেলের পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার প্রকৌশলী শাহিদুল ইসলাম বলেন, রেলগেটে সার্বক্ষণিক গেটম্যান থাকেন। তাদের কোনো অবহেলায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে না। পাবলিক নিজেরাই বিভিন্ন স্থানে গেট বানিয়ে চলাচলের রাস্তা বের করেন। এসব স্থানে ঘটনা ঘটছে। তারপরও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।