মনপুরা চরফ্যাশনে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
jugantor
মনপুরা চরফ্যাশনে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
সি-ট্রাক ও লঞ্চ বন্ধ

  মনপুরা (ভোলা) ও চরফ্যাশন (দক্ষিণ) প্রতিনিধি  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলার মনপুরায় বৈরী আবহাওয়া, উজানের নেমে আসা ঢল ও অমাবস্যার প্রভাবে সোমবার মেঘনার পানি বিপদসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে চার গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে তিন হাজার মানুষ। এদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত থাকায় মনপুরা-তজুমুদ্দিন রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী সি-ট্রাক ও ঢাকা-মনপুরা-হাতিয়া রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চ তাফসির ও ফারহান বন্ধ রয়েছে। এতে ভোলা জেলা ও ঢাকার সঙ্গে মনপুরার নৌ-যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে দ্বীপের দেড় লাখ বাসিন্দা। এছাড়াও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্র উত্তাল থাকায় দলবেঁধে মৎস্য ঘাটে ফিরছে বড় বড় ইলিশ ধরার ট্রলার। এদিকে চরফ্যাশনে উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও অমাবস্যার প্রভাবে নদীর পানি বেড়ে উপকূল বাঁধের বাইরে ও ভেতরের নিু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সোমবার মেঘনা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বিকাল নাগাদ তলিয়ে গেছে চরফ্যাশন উপকূলের বিস্তীর্ণ জনপদ। অতিজোয়ারে উপজেলার ৬টি নিচু এলাকা জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে। জোয়ারের পানিতে ফসলের ক্ষেত, রাস্তা-ঘাট, বসতভিটা, খামার ও পুকুর-ঘের তলিয়ে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন চরফ্যাশন উপকূলের বিস্তীর্ণ জনপদের নিুআয়ের মানুষ।

জানা যায়, কুকরিমুকরি, চরপাতিলা, ঢালচর, জাহানপুর ভাসানী আদর্শ গ্রাম, চর মাদ্রাজ ও আছলামপুর ইউনিয়নের কিছু অংশ জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার বসবাসকৃত মানুষ চরম দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। সাগর তীরবর্তী দ্বীপ কুকরিমুকরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন বলেন, বাঁধের কাছাকাছি বসবাসরত মানুষের বাড়ি, পুকুর, মাছের ঘের তলিয়ে যাওয়ায় তারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অতিরিক্ত জোয়ারে বেশিরভাগ নিম্নাঞ্চল এলাকা ডুবে আছে। চরফ্যাশন পানি উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন-২ উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, সোমবার সকাল থেকে মেঘনার জোয়ারের পানি বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বাঁধের বাইরের নিম্নাঞ্চলের এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

মনপুরা চরফ্যাশনে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

সি-ট্রাক ও লঞ্চ বন্ধ
 মনপুরা (ভোলা) ও চরফ্যাশন (দক্ষিণ) প্রতিনিধি 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলার মনপুরায় বৈরী আবহাওয়া, উজানের নেমে আসা ঢল ও অমাবস্যার প্রভাবে সোমবার মেঘনার পানি বিপদসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে চার গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে তিন হাজার মানুষ। এদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত থাকায় মনপুরা-তজুমুদ্দিন রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী সি-ট্রাক ও ঢাকা-মনপুরা-হাতিয়া রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চ তাফসির ও ফারহান বন্ধ রয়েছে। এতে ভোলা জেলা ও ঢাকার সঙ্গে মনপুরার নৌ-যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে দ্বীপের দেড় লাখ বাসিন্দা। এছাড়াও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্র উত্তাল থাকায় দলবেঁধে মৎস্য ঘাটে ফিরছে বড় বড় ইলিশ ধরার ট্রলার। এদিকে চরফ্যাশনে উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও অমাবস্যার প্রভাবে নদীর পানি বেড়ে উপকূল বাঁধের বাইরে ও ভেতরের নিু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সোমবার মেঘনা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বিকাল নাগাদ তলিয়ে গেছে চরফ্যাশন উপকূলের বিস্তীর্ণ জনপদ। অতিজোয়ারে উপজেলার ৬টি নিচু এলাকা জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে। জোয়ারের পানিতে ফসলের ক্ষেত, রাস্তা-ঘাট, বসতভিটা, খামার ও পুকুর-ঘের তলিয়ে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন চরফ্যাশন উপকূলের বিস্তীর্ণ জনপদের নিুআয়ের মানুষ।

জানা যায়, কুকরিমুকরি, চরপাতিলা, ঢালচর, জাহানপুর ভাসানী আদর্শ গ্রাম, চর মাদ্রাজ ও আছলামপুর ইউনিয়নের কিছু অংশ জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার বসবাসকৃত মানুষ চরম দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। সাগর তীরবর্তী দ্বীপ কুকরিমুকরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন বলেন, বাঁধের কাছাকাছি বসবাসরত মানুষের বাড়ি, পুকুর, মাছের ঘের তলিয়ে যাওয়ায় তারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অতিরিক্ত জোয়ারে বেশিরভাগ নিম্নাঞ্চল এলাকা ডুবে আছে। চরফ্যাশন পানি উন্নয়ন বোর্ড ডিভিশন-২ উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, সোমবার সকাল থেকে মেঘনার জোয়ারের পানি বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বাঁধের বাইরের নিম্নাঞ্চলের এলাকা প্লাবিত হয়েছে।