পরিপত্রের দোহাইয়ে ভর্তিতে আদায় ১৫ লাখ টাকা
jugantor
বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজ
পরিপত্রের দোহাইয়ে ভর্তিতে আদায় ১৫ লাখ টাকা

  বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পরিপত্রের দোহাইয়ে ভর্তিতে আদায় ১৫ লাখ টাকা

বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে পরিপত্রের দোহাই দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠছে কলেজ কর্তৃপক্ষে বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, গত ১৩ অক্টোবর থেকে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। জনতা ব্যাংক বাকেরগঞ্জ শাখায় কলেজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কলেজের স্লিপে বিজ্ঞান বিভাগে ২ হাজার ৪৯৫ টাকা, বাণিজ্যিক ও মানবিক বিভাগে ২ হাজার ৪৪৫ টাকা করে জমা নেয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত সাড়ে প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী ভর্তি নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি ২০২০-২১ একাদশ শ্রেণির ভর্তির নীতিমালা অনুযায়ী ভর্তি ফি নিতে হবে। এক্ষেত্রে উপজেলা শহরের বেসকারি কলেজে এক হাজার টাকা নেয়ার বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, ‘মূলত বেসরকারি কলেজের লাগাম টানতে এ নীতিমালা করা হয়েছে।

ইতিপূর্বে বেশকিছু বেসরকারি কলেজের বিরুদ্ধে ভর্তির সময় অতিরিক্ত টাকার নেয়ার অভিযোগ আছে। যার ফলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি প্রতি বছর একটি নিতিমালা করে দেন।

তবে সরকারি কলেজে বেসরকারি কলেজের চেয়ে বেশি নেয়ার সুযোগ নেই।’ তবে কলেজ কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, সরকারি পরিপত্রে যা আছে সে অনুযায়ী টাকা নেয়া হচ্ছে।

কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ পরিপত্রের দোহাই দিয়ে যে ২৬টি খাতে টাকা নিচ্ছে তা কলেজ বন্ধ থাকায় বেশিরভাগই অর্থহীন বলে মনে করেন অভিভাবক মহল।

ওই খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে- জুলাই ২০১৯ থেকে জুন ২০২০ গ্রন্থাগার ফি, বিজ্ঞানাগার ফি, অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষার ফি, উন্নয়ন ফি, আইসিটি ফি, চিকিৎসাসেবা তহবিল, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ফি।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বলছেন, করোনাকালীন কলেজ বন্ধ থাকার পরও একইভাবে ২৬টি খাতে টাকা নেয়ার কোনো যুক্তি নেই। কলেজ বন্ধ থাকার কারণে এর মধ্যে কিছু খাত আছে যা একেবারেই অহেতুক।

এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘পরিপত্র অনুযায়ী টাকা নেয়া হচ্ছে। এখানে অতিরিক্ত কোনো টাকা নেয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন হলে কলেজে এসে পরিপত্র দেখে যেতে পারেন।’

বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজ

পরিপত্রের দোহাইয়ে ভর্তিতে আদায় ১৫ লাখ টাকা

 বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
পরিপত্রের দোহাইয়ে ভর্তিতে আদায় ১৫ লাখ টাকা
ফাইল ছবি

বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে পরিপত্রের দোহাই দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠছে কলেজ কর্তৃপক্ষে বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, গত ১৩ অক্টোবর থেকে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। জনতা ব্যাংক বাকেরগঞ্জ শাখায় কলেজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কলেজের স্লিপে বিজ্ঞান বিভাগে ২ হাজার ৪৯৫ টাকা, বাণিজ্যিক ও মানবিক বিভাগে ২ হাজার ৪৪৫ টাকা করে জমা নেয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত সাড়ে প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী ভর্তি নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি ২০২০-২১ একাদশ শ্রেণির ভর্তির নীতিমালা অনুযায়ী ভর্তি ফি নিতে হবে। এক্ষেত্রে উপজেলা শহরের বেসকারি কলেজে এক হাজার টাকা নেয়ার বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, ‘মূলত বেসরকারি কলেজের লাগাম টানতে এ নীতিমালা করা হয়েছে।

ইতিপূর্বে বেশকিছু বেসরকারি কলেজের বিরুদ্ধে ভর্তির সময় অতিরিক্ত টাকার নেয়ার অভিযোগ আছে। যার ফলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি প্রতি বছর একটি নিতিমালা করে দেন।

তবে সরকারি কলেজে বেসরকারি কলেজের চেয়ে বেশি নেয়ার সুযোগ নেই।’ তবে কলেজ কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, সরকারি পরিপত্রে যা আছে সে অনুযায়ী টাকা নেয়া হচ্ছে।

কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ পরিপত্রের দোহাই দিয়ে যে ২৬টি খাতে টাকা নিচ্ছে তা কলেজ বন্ধ থাকায় বেশিরভাগই অর্থহীন বলে মনে করেন অভিভাবক মহল।

ওই খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে- জুলাই ২০১৯ থেকে জুন ২০২০ গ্রন্থাগার ফি, বিজ্ঞানাগার ফি, অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষার ফি, উন্নয়ন ফি, আইসিটি ফি, চিকিৎসাসেবা তহবিল, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ফি।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বলছেন, করোনাকালীন কলেজ বন্ধ থাকার পরও একইভাবে ২৬টি খাতে টাকা নেয়ার কোনো যুক্তি নেই। কলেজ বন্ধ থাকার কারণে এর মধ্যে কিছু খাত আছে যা একেবারেই অহেতুক।

এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘পরিপত্র অনুযায়ী টাকা নেয়া হচ্ছে। এখানে অতিরিক্ত কোনো টাকা নেয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন হলে কলেজে এসে পরিপত্র দেখে যেতে পারেন।’